বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। রাস্তার ওপর ইট, বালু, সুরকি ফেলে রাখা হয়েছে। মানুষের চলাফেরা করতে ভীষণ কষ্ট। প্রভাবশালী বলে কেউ কিছু বলছে না। বললেও তিনি কানেই নেন না। পানির মোটর ছেড়ে রাখা হয়েছে। পানিতে ভেসে যাচ্ছে রাস্তা। লোকজনের চলাচলে অনেক কষ্ট। ময়লার ফেলার জন্য ডাস্টবিন আছে। কিন্তু একদল মানুষ রাস্তার ওপর ময়লা ফেলে। দূষিত হয় পরিবেশ। নাকে রুমাল চেপে পথচারীদের চলতে হয়। অহেতুক তো বটেই; নেহাত নির্বুদ্ধিতার কারণে এভাবে মানুষকে কষ্ট দেওয়া হয়, যা একজন মুসলমানের জন্য কোনোভাবেই কাম্য নয়।
যে ব্যক্তি মানুষকে কষ্ট দেয়, তার চেয়ে নিকৃষ্ট আর কেউ নেই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্যে পাপের বোঝা বহন করে।’ (সুরা আহজাব: ৫৮) রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘সেই প্রকৃত মুসলমান, যার হাত ও মুখ থেকে অন্য মুসলমানেরা নিরাপদ থাকে।’ (বুখারি)
মানুষকে কষ্ট দেওয়া যত ছোট কাজেই হোক, তা জুলুমের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালিমদের কঠোর শাস্তি দেবেন। আল্লাহ বলেন, ‘হায়! যদি তুমি ওই জালিমদের দেখতে পেতে, যখন তারা মৃত্যুযন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকবে, আর ফেরেশতারা হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলবে, তোমাদের জানগুলোকে বের করে দাও, আজ তোমাদের অবমাননাকর আজাব দেওয়া হবে, যেহেতু তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে এমন কথা বলতে, যা প্রকৃত সত্য নয় আর তাঁর নিদর্শনগুলোর ব্যাপারে ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করতে।’ (সুরা আনআম: ৯৩)
মানুষকে কষ্ট দিয়ে আবার দম্ভ প্রকাশ আরও বড় অন্যায়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নম্র ও বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উচ্চাসনে আসীন করেন আর যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে অপদস্থ করেন।’ (মিশকাত)
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

শাশ্বত চেতনাবোধের বিনির্মাণ ও অনুপম মনুষ্যত্ব অর্জনের এক কার্যকর প্রশিক্ষণের বার্তা নিয়ে আগমন করে রমজান। শাবান মাসের শেষে পশ্চিম আকাশে বাঁকা চাঁদ উঁকি দিতেই ধরণির বুকে রহমতের ফল্গুধারা নেমে আসে। শুরু হয় মুমিন হৃদয়ের দীর্ঘ প্রতীক্ষার স্নিগ্ধ প্রহর—পবিত্র মাহে রমজান।
৪ ঘণ্টা আগে
দিন শেষে রাত নেমে এসেছে মক্কার আকাশে। ধীরে ধীরে রাত গভীর হচ্ছে। বাড়ছে নিস্তব্ধতা। কমছে কোলাহল। এসবের মাঝেই নতুন এক আলোর আগমনের অপেক্ষা। মক্কার এক প্রান্তে বসে অপেক্ষা করছেন এক ইহুদি পণ্ডিত। তাঁর চোখ আকাশের দিকে স্থির। মনোযোগ গভীর। দীর্ঘ অপেক্ষার পর তিনি তাঁর কাঙ্ক্ষিত বস্তু পেয়েছেন বলেই চেহারায়...
৪ ঘণ্টা আগে
মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ভাষা। এটি মানুষের চিন্তাচেতনা, নিজস্ব সংস্কৃতি, অনুভূতি প্রকাশ ও আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহক। বিশেষত মাতৃভাষা মানুষের হৃদয় ও আবেগের ভাষা। যে ভাষায় মানুষ প্রথম কথা বলতে শেখে, শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চায় তা অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।
৪ ঘণ্টা আগে
রমজানের স্নিগ্ধ আমেজ আর আনন্দের জোয়ারে মিসরের পুরোনো কায়রোর সমকক্ষ আর কোনো জনপদ নেই বললেই চলে। এখানকার প্রতিটি রাস্তা, অলিগলি দিয়ে হাঁটার সময় আপনার চোখে পড়বে পবিত্র মাসকে বরণ করে নেওয়ার একেকটি জীবন্ত দৃশ্য। কেউ হয়তো নিজের বাড়ির আঙিনায় বা দোকানের সামনে বসে লোহা কিংবা...
৪ ঘণ্টা আগে