
অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের ৯, ১৩ এবং ১৪ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে আদালত বলেছেন, ওই তিনটি ধারা সংবিধান পরিপন্থী নয়।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর বেঞ্চ এ রায় দেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী ও ব্যারিস্টার ওমর ফারুক। ভূমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।
পরে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০০১-এর তিনটি ধারা চ্যালেঞ্জ করে দুটি রিট দায়ের করা হয়েছিল। হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ রুলটি খারিজ করে দিয়েছেন। একই সঙ্গে স্থিতিবস্থার আদেশ বাতিল করে দিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের যদি এই প্রত্যপর্তন সম্পত্তি লিজ দেওয়ার ক্ষমতা না থাকে, তাহলে সম্পত্তি বেহাত হয়ে যাবে। এটা সরকার ও জনগণের স্বার্থেই করা হয়েছে।
অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন, ২০০১-এর ৯ (১) ধারায় বলা হয়েছে, সরকার এই ধারার বিধান অনুযায়ী ক তফসিলে বর্ণিত প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুত করে গেজেট প্রকাশ করবে। ১৩ (১) ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি গেজেটে প্রকাশের তারিখে যদি কোনো আদালতে এমন দেওয়ানি মামলা অনিষ্পন্ন থাকে, তাহলে তা বতিল বলে গণ্য হবে। এ ছাড়া ১৪ (১) ধারায় বলা হয়েছে, সম্পত্তি প্রত্যর্পণ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত সম্পত্তি জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে থাকিবে এবং তিনি প্রচলিত আইন অনুযায়ী উহা ইজারা প্রদান করিবেন ৷

পবিত্র রমজান মাসে ইফতারের সময় ঘরবাড়িতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের সময়সীমা ৩ ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে ৬ ঘণ্টা করা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আজ শুক্রবার এক চিঠির মাধ্যমে এই নতুন সময়সূচির কথা জানিয়েছে।
৩৮ মিনিট আগে
ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
২ ঘণ্টা আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
৩ ঘণ্টা আগে