Parallel Structures in Listening লিসনিংয়ে প্যারালাল স্ট্রাকচার প্রশ্নপত্রে বিষয়গুলো যেভাবে আসে: ক। একই প্রকারের শব্দগুলো (এমন কি একই শব্দের পুনরাবৃত্তি), খ। তালিকাভুক্ত একাধিক বিষয় (বুলেট পয়েন্ট বা ক্রমিক নম্বরে), গ। একই আকার আকৃতিতে একই কাঠামোগত ব্যাকরণে বাক্য গঠন...
অনেক সময় কাছাকাছি শব্দ দিয়ে, একই শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে কিংবা একাধিক বিষয় তালিকাভুক্তির মাধ্যমে কিছু বিষয়ের অবতারণা করা হয়। একই আকার-আকৃতিতে অভিন্ন কাঠামোগত ব্যাকরণে গঠিত বাক্যে শব্দগুলো (ফ্রেজ, ক্লজ) অনেক সময় একই মাত্রার গুরুত্ব বহন করে। তখন তারা হয়ে ওঠে প্যারালাল স্ট্রাকচার।
শিক্ষা, হার্ভার্ড বিশ্ব বিদ্যাহার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের অধ্যাপকেরা ২০১৭ সালে দ্য অ্যাস্পায়ার লিডারস প্রোগ্রাম ২০২৫ প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রোগ্রামটি বিশ্বব্যাপী সুবিধাবঞ্চিত যুবকদের জীবন পরিবর্তন এবং তাদের সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করতে সহায়তা করে। এই প্রোগ্রামের অন্যতলয়...
অনেক সময় কাছাকাছি শব্দ দিয়ে, একই শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে কিংবা একাধিক বিষয় তালিকাভুক্তির মাধ্যমে কিছু বিষয়ের অবতারণা করা হয়। একই আকার-আকৃতিতে অভিন্ন কাঠামোগত ব্যাকরণে গঠিত বাক্যে শব্দগুলো (ফ্রেজ, ক্লজ) অনেক সময় একই মাত্রার গুরুত্ব বহন করে। তখন তারা হয়ে ওঠে প্যারালাল স্ট্রাকচার। এ নিয়ে আমাদের আজকের
লিসনিং-এ ডিসকোর্স মার্কারের উদাহরণ ও ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ (Cambridge 10 /Test 2)
বক্তা কখন শুরু করছে, কখন বিষয়টি সবিস্তারে মেলে ধরছে, কখন উদাহরণ টানছে, এরপর কী বলবে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাতে আমরা সহজেই বুঝতে পারি যে লিসনিংয়ে আমরা কোথায় আছি এবং অব্যহিত পরে কোন দিকে যাচ্ছি।
কিছু শব্দ বা ফ্রেজ কোন বর্ণনার অবকাঠামো গঠন করে, গতিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি এটি কথার বিভিন্ন অংশের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে, যা বলা হয়েছে এবং যা বলা হবে। এরাই ডিসকোর্স মার্কার।
কিছু শব্দ বা ফ্রেজ বর্ণনার অবকাঠামো গঠন করে, গতি ও প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি কথার বিভিন্ন অংশের মধ্যে সংযোগও তৈরি করে—যা বলা হয়েছে এবং যা বলা হবে। এদেরই বলা হয় ডিসকোর্স মার্কার। এ নিয়েই আমাদের আজকের পাঠদান।
লিসেনিংয়ের রেকর্ডিংয়ে (ধারা বর্ণনায়) সাইন পোস্ট ল্যাঙ্গুয়েজের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। এই সাইন পোস্ট শব্দগুলো (ফ্রেজ) অনেক কিছু বলে দেয়...
বহুল ব্যবহৃত কিছু সাইনপোস্ট ল্যাঙ্গুয়েজ...
এখানে একজন থেকে শুরু করে সর্বাধিক চারজনের মধ্যে কথোপকথন হয়। আলোচনা চলতে থাকে সামাজিক ও একাডেমিক বিভিন্ন বিষয়ে। বিষয়বস্তুর জটিলতা সহজ থেকে ক্রমেই বাড়ে। কথোপকথন প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলে। এ সময় প্রশ্নপত্র ও রেকর্ডিং—উভয়ই প্রস্তুত থাকে। একবার শোনা রেকর্ডিংয়ে হারিয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। তাহলে করণীয়? চিন্তার কি
কিছু অভিব্যক্তি আগাম বলে দেয়—বক্তা কোথায় থেকে শুরু করছেন, কখন কোন দিকে মোড় নিয়ে কোথায় গিয়ে পৌঁছবেন ইত্যাদি ইত্যাদি। বর্ণনার গতিমুখ প্রদর্শন করে বিধায় এটিকে ‘সাইন পোস্ট’ বলা হয়। তা ছাড়া এটি প্রকাশ করে বক্তার মনোভাব আর ভাবধারাগুলোর সাবলীল স্থানান্তর, তাদের মধ্যকার সম্পর্ক, ক্রমবিন্যাস তথা ছেদহীন...
ঠিকভাবে শোনার দক্ষতা বাড়াতে পারলে এসব ডিসট্র্যাক্টর সহজেই উপেক্ষা করা সম্ভব। আর সেজন্য প্রতিনিয়ত ইংরেজি শোনার অভ্যেস গড়ে তুলতে হবে। যেমন—ইংরেজি সিনেমা, টিভি শো, পোডকাস্ট ইত্যাদি শোনা। এতে করে আপনি বিভিন্ন ধরনের উচ্চারণ (এ্যাকসেন্ট), গতি এবং বানানের সঙ্গে পরিচিত হবেন, যা ডিসট্র্যাক্টরকে পরাজিত করতে
কোন সংলাপে একজন বক্তা একটা তথ্য দিবে। পরে অন্য একজন বক্তা এসে সেই বিষয়ে অন্য তথ্য দেবে। এর অর্থ হলো—একই বিষয়ে দুটি ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেল। মজার বিষয় হলো প্রথম তথ্যটি সম্পূর্ণ সঠিক ছিল যতক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় বক্তা মুখ খোলে নাই...
অনেক সময় কোনো কোনো প্রশ্নের উত্তরে একাধিক পছন্দ বা বিকল্প উত্তরগুলো দিয়ে দেওয়া হয়, যেখানে সঠিক উত্তর শুধু একটি, বাকিগুলো ভুল। যেমন এমসিকিউ। পরিকল্পিতভাবেই এটি করা হয়, যাতে পরীক্ষার্থীরা বিভ্রান্তিতে পড়ে।
প্রশ্নপত্রে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তথ্য দিয়ে, রেকর্ডিংয়ে অপ্রাসঙ্গিক কথা যুক্ত করে, সঙ্গে বাহ্যিক কিছু গোলযোগ দিয়ে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা করা হয়। পরিকল্পিতভাবেই এমনটি করা হয়। এরাই ডিসট্র্যাকটর।
(এখানে আরও কিছু শব্দের ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু সেগুলো নিয়ে কিছু করা হয়নি। এখানে শুধু প্যারাফ্রেজ নিয়ে কাজ করা হয়েছে। ওগুলো নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করা হয়েছে)