
স্ট্যাটাসে দলীয় হাইকমান্ডের প্রতি প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের আবেগ ও অনুভূতির কোনো মূল্য দেওয়া হচ্ছে না। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য মাগুরা-২ আসনে প্রাথমিক প্রার্থী ঘোষণার পর তৃণমূলে যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে, তা দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বঞ্চনার ফল।

এমন ভরাডুবি রাজ্য নেতা ও জোটসঙ্গীদের কাছে স্পষ্ট করেছে যে, কংগ্রেসের হাইকমান্ড ভোটে জয়ের কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। ফলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ‘নৈতিক আধিপত্য’ বা দর-কষাকষির ক্ষমতাও কমে যাচ্ছে। বিপরীতে আঞ্চলিক নেতাদের ক্ষমতা আরও বাড়ছে, যেখানে তাঁদের নিজস্ব রাজ্য-রাজনীতি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলকে শক্তিশালী করতে পশ্চিমবঙ্গ সফর করবেন রাহুল গান্ধী। গতকাল বৃহস্পতিবার এক বৈঠকে এ কথা বলেছেন এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক বেণুগোপাল।

তৃণমূল নেতা মহুয়া মৈত্র ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত একসময় সম্পর্কে ছিলেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। বিচ্ছেদের পর থেকে তাঁদের সম্পর্ক ভালো নয়। তাঁরা দুজন একে অন্যের বিরুদ্ধে হেনরিকে ‘চুরি করার’ অভিযোগ আনেন এবং ২০২৩ সাল থেকে এই আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।