
চিনি আমদানিতে শুল্ক কমানো হয়েছে কেজিপ্রতি ১১ টাকার বেশি। কিন্তু দেশের বাজারে উল্টো পণ্যটির দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও দাম কিছুটা বেড়েছে। পরিশোধনকারী মিলমালিকেরা অজুহাত হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কথা বলছেন।

বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমাতে সয়াবিন ও পাম তেলের ওপর আরোপিত মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটে ছাড় দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান সই করা আলাদা আদেশে দুই ধরনের ভোজ্যতেলে ভ্যাট কমানো হয়।

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। প্রতি লিটার ভোজ্যতেলের দাম ভোক্তা পর্যায়ে ৪-৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্যসচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়েছে ট্যারিফ কমিশন। তবে শুল্ক ছাড় দিলে দাম বাড়বে না

নিত্যপণ্যের বাজার কোনোভাবেই বাগে আসছে না। ডিম, মুরগি, সবজি, ভোজ্যতেল— সবকিছুই সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। আজ রোববার কাঁচামরিচ কেজিতে ৪০০ টাকা ছুঁয়েছে। সরকার কিছু পণ্যের দাম বেঁধে দিলেও কোথাও তা মানা হচ্ছে না।