শাকেরা তাসনীম ইরা, ঢাকা
তলোয়ারের এক কোপে যেকোনো মানুষের মাথা শরীর থেকে মাটিতে নামিয়ে দিতে পারত তারা। বেয়ে উঠে যেতে পারত কাঁটাযুক্ত খাঁড়া দেয়াল। রাজার জীবন সুরক্ষিত রাখতে নিজেরা উৎসর্গ করেছিল নিজেদের জীবন।
বলছি ঔপনিবেশিক শাসনের তলায় চাপা পড়ে যাওয়া এক নারী সেনাদলের কথা। তার নাম দাহোমি আমাজন।
আফ্রিকাকে বলা হয় ‘মানব জাতির দোলনা’। কেননা, জীবাশ্মবিদ্যা ও প্রত্নতত্ত্বের সর্বাধুনিক ব্যাখ্যা অনুসারে, আজ থেকে প্রায় ৫ মিলিয়ন বছর আগে হোমিনিডদের অস্তিত্বশীলতার সর্বশেষ প্রমাণ পাওয়া যায় আফ্রিকায়। তবু পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম এই মহাদেশের ইতিহাসের কয়েক শতকের কোনো দলিল পাওয়া যায় না। কারণ চিরকাল বিজয়ীরাই ইতিহাস লিখেছে। এটি আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষেত্রে অমোঘ নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রায় সত্তর বছরের ঔপনিবেশিক শাসনামলে মহাদেশটির প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে সঙ্গে প্রায় নিঃশেষ করে দেওয়া হয়েছে তার গৌরবময় ইতিহাস।
তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উপনিবেশবাদের পতন ঘটলে ঔপনিবেশিক অঞ্চলগুলোর ইতিহাস পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা চালানো হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আমাজনদের ইতিহাস সম্পর্কে জানার জন্য দশকের পর দশক ধরে গবেষণা করে চলেছেন ইউরোপ ও পশ্চিম আফ্রিকার গবেষকেরা।
আমাজনদের বিস্মৃত ইতিহাস
প্রায় ৪০০ বছর আগে বর্তমান আফ্রিকার বেনিন শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে একটি রাজ্য। তার নাম দাহোমি। ইতিহাসের প্রথম ও একমাত্র নারী সেনাদল প্রতিষ্ঠা করার জন্য পৃথিবীর ইতিহাসে দাহোমি রাজ্যের নাম কিছুটা হলেও পরিচিত। এই সেনাবাহিনীর সব সদস্যই ছিল নারী। এই নারী সেনাদল পরিচিত ছিল আমাজন, আগুজি, মিনো ইত্যাদি নামে।
ঠিক কখন এবং কেন দাহোমিরা নারী সৈন্যদল তৈরি করে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। এ ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। জনপ্রিয় মত অনুসারে, দাহোমি সাম্রাজ্যের তৃতীয় রাজা ওয়েগবাজা হাতি শিকারের জন্য নারীদের সমন্বয়ে এই সৈন্যদল গঠন করেন। যাদের বলা হতো জিবেতো।
আবার কোনো কোনো ঐতিহাসিকের ধারণা, রানি হাংবি প্রথম আমাজনদের নিয়ে নারী সেনাদল গঠন করেন। রানি হাংবি তাঁর যমজ ভাইয়ের সঙ্গে মিলে আঠারো শতকের প্রথম দিকে রাজ্য শাসন করতেন। তিনি সব সময় একদল নারী দেহরক্ষী সঙ্গে রাখতেন।
ধারণা করা হয়, দাহোমিদের শত্রুসংখ্যা এতই বেশি ছিল যে শুধু পুরুষ সেনাদল নিয়ে প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করা তাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। আর্থার আর্ডলি উইলমট নামে এক ব্রিটিশ নৌ কর্মকর্তার লেখা থেকে ধারণা পাওয়া যায়, দাহোমিদের নারী সেনাদল তৈরির কারণ ছিল যুদ্ধ ও দাস ব্যবসার কারণে পুরুষের সংখ্যা হ্রাস পাওয়া। ফলে দাহোমির রাজাদের কাছে নারী শক্তিকে কাজে লাগানো ছাড়া অন্য উপায় ছিল না।
যোদ্ধা নিযুক্তিকরণ
বেশির ভাগ ইতিহাসবিদের মতে, দাহোমি আমাজনে যেসব নারীকে যোদ্ধা হিসেবে প্রস্তুত করা হতো, তাদের প্রায় সবাই ছিল দাস শ্রেণির। তবে সাধারণ দাহোমি নারীরা যে এই দলে ছিল না, এমনটাও নয়। ৮ থেকে ১০ বছরের মেয়েকেও যোদ্ধা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতো। রাজার যেসব স্ত্রী যথেষ্ট সুন্দরী হতো না, তারাও নিয়োগ পেত এই দলে। প্রায় বেশির ভাগ নারী যোদ্ধা সারা জীবন অবিবাহিত রয়ে যেত এবং জীবন উৎসর্গ করত দাহোমি রাজ্যের জন্য। তাদের সন্তান ধারণ করাও নিষেধ ছিল।
দাহোমি আমাজনের বিশেষত্ব
দাহোমির নারী যোদ্ধারাই শুধু সে সময় যুদ্ধে অংশ নিত এমন নয়; তার আগেও অনেক নারী যোদ্ধা সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়েছে বলে সাক্ষ্য দেয় ইতিহাস। তবে এক-দুজন নয়, বিশাল নারী দলকে সামরিক প্রশিক্ষণ এবং সেনাবাহিনী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় দাহোমিরাই প্রথম। প্রশিক্ষণার্থী যোদ্ধারা ১৬ ফুট উঁচু একটি বেদিতে দাঁড়িয়ে ঝুড়িতে বাঁধা অবস্থায় একজন করে যুদ্ধবন্দী নিয়ে নিচে দাঁড়ানো জনতার দিকে ছুড়ে মারত। এমন বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো দাহোমি যোদ্ধাদের।
দাহোমি আমাজনের পতন দাহোমি রাজ্যের পতন ঘটে ১৮৯৪ সালে, ফ্রান্সের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। ১৮৭০ সাল থেকে নিজেদের সৈন্যদল নিয়ে দাহোমিদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়তে থাকে। দুর্ধর্ষ নারী যোদ্ধাদের ওপর ভিত্তি করেই একের পর এক গোত্রের ওপর আক্রমণ চালাতে থাকেন দাহোমির রাজারা। কিন্তু বিপত্তিটা হয়, যখন এক নারী যোদ্ধা ফ্রান্সের এক ঔপনিবেশিক গোত্রপ্রধানের মাথা কেটে ফ্রান্সের পতাকায় মুড়ে তা নিয়ে আসে তাদের রাজার সামনে। এ ঘটনায় ফ্রান্স স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ হয় এবং দাহোমিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফ্রান্স এটা বুঝতে পেরেছিল যে, দাহোমিদের নারী যোদ্ধারা দুর্ধর্ষ হলেও আধুনিক অস্ত্রবিজ্ঞানে তাদের দখল নেই। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগায় ফ্রান্স। তাদের আধুনিক গুলি ও বেয়নেটের সামনে ভূপাতিত হয় দাহোমি আমাজনের সদস্যরা।
ঐতিহাসিকদের মতে, ফ্রান্সের সঙ্গে সেই যুদ্ধ ছিল দাহোমি আমাজনের শেষ যুদ্ধ। তাতে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ জন নারী সেনা নিহত হয় এবং মাত্র ৫০ জন বেঁচে ফিরতে সক্ষম হয়।
১৮৯৪ সালে ফ্রান্সের সঙ্গে ঘটা যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর দাহোমিরা ফ্রান্সের উপনিবেশের মধ্যে চলে আসে। ফ্রান্স দাহোমি আমাজনও ভেঙে দেয়। এক ইতিহাসবিদকে সাক্ষাৎকার দেওয়া নাওয়ি নামের এক নারী নিজেকে ১৮৯২ সালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা দাহোমি আমাজনের সদস্য হিসেবে দাবি করেন। তাঁকে সর্বশেষ দাহোমি নারী যোদ্ধা হিসেবে ধারণা করা হয়। ১৯৭৯ সালে ১০০ বছরের বেশি বয়সে সেই নারীর মৃত্যু হয়। তাঁর সঙ্গে শেষ হয়ে যায় অকুতোভয় নারী যোদ্ধাদের দল দাহোমি আমাজন।
তলোয়ারের এক কোপে যেকোনো মানুষের মাথা শরীর থেকে মাটিতে নামিয়ে দিতে পারত তারা। বেয়ে উঠে যেতে পারত কাঁটাযুক্ত খাঁড়া দেয়াল। রাজার জীবন সুরক্ষিত রাখতে নিজেরা উৎসর্গ করেছিল নিজেদের জীবন।
বলছি ঔপনিবেশিক শাসনের তলায় চাপা পড়ে যাওয়া এক নারী সেনাদলের কথা। তার নাম দাহোমি আমাজন।
আফ্রিকাকে বলা হয় ‘মানব জাতির দোলনা’। কেননা, জীবাশ্মবিদ্যা ও প্রত্নতত্ত্বের সর্বাধুনিক ব্যাখ্যা অনুসারে, আজ থেকে প্রায় ৫ মিলিয়ন বছর আগে হোমিনিডদের অস্তিত্বশীলতার সর্বশেষ প্রমাণ পাওয়া যায় আফ্রিকায়। তবু পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম এই মহাদেশের ইতিহাসের কয়েক শতকের কোনো দলিল পাওয়া যায় না। কারণ চিরকাল বিজয়ীরাই ইতিহাস লিখেছে। এটি আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষেত্রে অমোঘ নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রায় সত্তর বছরের ঔপনিবেশিক শাসনামলে মহাদেশটির প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে সঙ্গে প্রায় নিঃশেষ করে দেওয়া হয়েছে তার গৌরবময় ইতিহাস।
তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উপনিবেশবাদের পতন ঘটলে ঔপনিবেশিক অঞ্চলগুলোর ইতিহাস পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা চালানো হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আমাজনদের ইতিহাস সম্পর্কে জানার জন্য দশকের পর দশক ধরে গবেষণা করে চলেছেন ইউরোপ ও পশ্চিম আফ্রিকার গবেষকেরা।
আমাজনদের বিস্মৃত ইতিহাস
প্রায় ৪০০ বছর আগে বর্তমান আফ্রিকার বেনিন শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে একটি রাজ্য। তার নাম দাহোমি। ইতিহাসের প্রথম ও একমাত্র নারী সেনাদল প্রতিষ্ঠা করার জন্য পৃথিবীর ইতিহাসে দাহোমি রাজ্যের নাম কিছুটা হলেও পরিচিত। এই সেনাবাহিনীর সব সদস্যই ছিল নারী। এই নারী সেনাদল পরিচিত ছিল আমাজন, আগুজি, মিনো ইত্যাদি নামে।
ঠিক কখন এবং কেন দাহোমিরা নারী সৈন্যদল তৈরি করে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। এ ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। জনপ্রিয় মত অনুসারে, দাহোমি সাম্রাজ্যের তৃতীয় রাজা ওয়েগবাজা হাতি শিকারের জন্য নারীদের সমন্বয়ে এই সৈন্যদল গঠন করেন। যাদের বলা হতো জিবেতো।
আবার কোনো কোনো ঐতিহাসিকের ধারণা, রানি হাংবি প্রথম আমাজনদের নিয়ে নারী সেনাদল গঠন করেন। রানি হাংবি তাঁর যমজ ভাইয়ের সঙ্গে মিলে আঠারো শতকের প্রথম দিকে রাজ্য শাসন করতেন। তিনি সব সময় একদল নারী দেহরক্ষী সঙ্গে রাখতেন।
ধারণা করা হয়, দাহোমিদের শত্রুসংখ্যা এতই বেশি ছিল যে শুধু পুরুষ সেনাদল নিয়ে প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করা তাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। আর্থার আর্ডলি উইলমট নামে এক ব্রিটিশ নৌ কর্মকর্তার লেখা থেকে ধারণা পাওয়া যায়, দাহোমিদের নারী সেনাদল তৈরির কারণ ছিল যুদ্ধ ও দাস ব্যবসার কারণে পুরুষের সংখ্যা হ্রাস পাওয়া। ফলে দাহোমির রাজাদের কাছে নারী শক্তিকে কাজে লাগানো ছাড়া অন্য উপায় ছিল না।
যোদ্ধা নিযুক্তিকরণ
বেশির ভাগ ইতিহাসবিদের মতে, দাহোমি আমাজনে যেসব নারীকে যোদ্ধা হিসেবে প্রস্তুত করা হতো, তাদের প্রায় সবাই ছিল দাস শ্রেণির। তবে সাধারণ দাহোমি নারীরা যে এই দলে ছিল না, এমনটাও নয়। ৮ থেকে ১০ বছরের মেয়েকেও যোদ্ধা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতো। রাজার যেসব স্ত্রী যথেষ্ট সুন্দরী হতো না, তারাও নিয়োগ পেত এই দলে। প্রায় বেশির ভাগ নারী যোদ্ধা সারা জীবন অবিবাহিত রয়ে যেত এবং জীবন উৎসর্গ করত দাহোমি রাজ্যের জন্য। তাদের সন্তান ধারণ করাও নিষেধ ছিল।
দাহোমি আমাজনের বিশেষত্ব
দাহোমির নারী যোদ্ধারাই শুধু সে সময় যুদ্ধে অংশ নিত এমন নয়; তার আগেও অনেক নারী যোদ্ধা সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়েছে বলে সাক্ষ্য দেয় ইতিহাস। তবে এক-দুজন নয়, বিশাল নারী দলকে সামরিক প্রশিক্ষণ এবং সেনাবাহিনী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় দাহোমিরাই প্রথম। প্রশিক্ষণার্থী যোদ্ধারা ১৬ ফুট উঁচু একটি বেদিতে দাঁড়িয়ে ঝুড়িতে বাঁধা অবস্থায় একজন করে যুদ্ধবন্দী নিয়ে নিচে দাঁড়ানো জনতার দিকে ছুড়ে মারত। এমন বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো দাহোমি যোদ্ধাদের।
দাহোমি আমাজনের পতন দাহোমি রাজ্যের পতন ঘটে ১৮৯৪ সালে, ফ্রান্সের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। ১৮৭০ সাল থেকে নিজেদের সৈন্যদল নিয়ে দাহোমিদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়তে থাকে। দুর্ধর্ষ নারী যোদ্ধাদের ওপর ভিত্তি করেই একের পর এক গোত্রের ওপর আক্রমণ চালাতে থাকেন দাহোমির রাজারা। কিন্তু বিপত্তিটা হয়, যখন এক নারী যোদ্ধা ফ্রান্সের এক ঔপনিবেশিক গোত্রপ্রধানের মাথা কেটে ফ্রান্সের পতাকায় মুড়ে তা নিয়ে আসে তাদের রাজার সামনে। এ ঘটনায় ফ্রান্স স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ হয় এবং দাহোমিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফ্রান্স এটা বুঝতে পেরেছিল যে, দাহোমিদের নারী যোদ্ধারা দুর্ধর্ষ হলেও আধুনিক অস্ত্রবিজ্ঞানে তাদের দখল নেই। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগায় ফ্রান্স। তাদের আধুনিক গুলি ও বেয়নেটের সামনে ভূপাতিত হয় দাহোমি আমাজনের সদস্যরা।
ঐতিহাসিকদের মতে, ফ্রান্সের সঙ্গে সেই যুদ্ধ ছিল দাহোমি আমাজনের শেষ যুদ্ধ। তাতে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ জন নারী সেনা নিহত হয় এবং মাত্র ৫০ জন বেঁচে ফিরতে সক্ষম হয়।
১৮৯৪ সালে ফ্রান্সের সঙ্গে ঘটা যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর দাহোমিরা ফ্রান্সের উপনিবেশের মধ্যে চলে আসে। ফ্রান্স দাহোমি আমাজনও ভেঙে দেয়। এক ইতিহাসবিদকে সাক্ষাৎকার দেওয়া নাওয়ি নামের এক নারী নিজেকে ১৮৯২ সালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা দাহোমি আমাজনের সদস্য হিসেবে দাবি করেন। তাঁকে সর্বশেষ দাহোমি নারী যোদ্ধা হিসেবে ধারণা করা হয়। ১৯৭৯ সালে ১০০ বছরের বেশি বয়সে সেই নারীর মৃত্যু হয়। তাঁর সঙ্গে শেষ হয়ে যায় অকুতোভয় নারী যোদ্ধাদের দল দাহোমি আমাজন।
‘প্রিয় বাবাজান, তুমি কখন ফিরে আসবে? যখনই আমি খাবার খাই বা পানি পান করি, তোমাকে খুব মনে পড়ে। বাবা, তুমি কোথায়? আমি তোমাকে খুব অনুভব করি। আমি একা। তোমায় ছাড়া আমি ঘুমাতে পারি না। আমি শুধু তোমার সঙ্গে দেখা করতে চাই। তোমার মুখ দেখতে চাই।’
৯ দিন আগেরমজান মাস মানেই খাবারের বিচিত্র আয়োজন। এই রমজানে অনেকে পরিবারের মানুষদের নিয়ে ভালো সময় কাটাতে ইফতারের আয়োজন করেন বাড়িতে। বন্ধুবান্ধব কিংবা অফিসেও থাকে ইফতার নিয়ে নানান আয়োজন। অনেকে খাবার অর্ডার করেন নামী রেস্টুরেন্ট থেকে...
৯ দিন আগেবাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সংগীতজগতের কিংবদন্তিতুল্য নাম সন্জীদা খাতুন। তিনি ছিলেন একাধারে একজন সংগীতশিল্পী, শিক্ষক, লেখক এবং ছায়ানটের সভাপতি। গতকাল ২৫ মার্চ, ৯২ বছর বয়সে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। সন্জীদা খাতুন ২০২১ সালে ভারতের...
৯ দিন আগেমানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের (এমজেএফ) চেয়ারপারসন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন পারভীন মাহমুদ। আজ রোববার এ পদে মনোনীত হওয়ার আগে তিনি এমজেএফের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি
১১ দিন আগে