আবু বকর ছিদ্দিক, চট্টগ্রাম
নৌপথে জ্বালানি তেল পরিবহনে শ্যালো ড্রাফট, বে-ক্রসিং ও মিনি ট্যাংকার জাহাজ ব্যবহার করা যাবে সাড়ে তিন মাস। সাগর উত্তাল থাকার কারণে এ সাড়ে তিন মাসের বেশি উল্লিখিত নৌযান চলাচল করতে নিষেধ আছে। তবে এই নিষেধের কোনো তোয়াক্কা করছে না সরকারি তিনটি তেল কোম্পানি।
এদিকে গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই পরিবহন বাণিজ্যে ঢুকে পড়েছেন এমপি-মন্ত্রীরা। তাঁদের সুবিধা দিতে দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে পরিবহন ভাড়া। এতে বেড়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের খরচ। অন্য দিকে এসব আওয়ামীপন্থীদের জাহাজগুলো অধিকাংশই দেশে তৈরি। এগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সব মিলিয়ে দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে উঠছে জ্বালানি তেল পরিবহন।
২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বিপিসির বহরে থাকা অয়েল ট্যাংকার ১৭৭টি। এর মধ্যে ৮৭টি কোস্টাল ট্যাংকার এবং শ্যালো ড্রাফট, বে-ক্রসিং ও মিনি ট্যাংকার মিলে রয়েছে ৯০টি। এই ৯০টি শ্যালো ড্রাফট, বে-ক্রসিং ও মিনি ট্যাংকার পরিচালিত হয় ইনল্যান্ড শিপিং অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬ অনুসারে। এই আইন অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ নৌযানের এসব জাহাজ সাড়ে তিন মাস (১৫ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) সাগর ক্রস করে তেল পরিবহন করতে পারবে। তবে সরকারি তিনটি তেল কোম্পানি সারা বছরই তেল পরিবহন করছে।
বিপিসি সূত্র জানায়, সারা দেশে ৭০ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার বিপরীতে তেল আমদানি করা হয়। এর ৫০ লাখ টন নদীপথে পরিবহন করা হয়। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রী-আমলাদের জাহাজে পরিবহন করা হয় প্রায় ৭০ শতাংশ জ্বালানি তেল।
বিপিসির তরফ থেকে ২০২৩ সালে ৮ আগস্ট জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে দেওয়া এক পত্র সূত্রে জানা যায়, বিপিসির বহরে মোট ১৬২টি অয়েল ট্যাংকার আছে। এর মধ্যে ১৪৩টি অয়েল ট্যাংকার দেশে তৈরি। দেশে তৈরি এসব জাহাজের অধিকাংশই বিগত সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী-এমপির মালিকানাধীন। এসব দেশীয় জাহাজ যত্রতত্র দুর্ঘটনায় পড়ছে। জাপানি জাহাজগুলোর এ ধরনের কোনো নজির নেই বলেও ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এমন একটি ট্যাংকার (সাগর নন্দিনী-২) ২০২৩ সালের ১ জুলাই ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বিস্ফোরিত হয়। এতে সুপারভাইজার বিল্লালসহ ৪ জন মারা যান এবং এ সময় বিপুল পরিমাণ তেল নদীতে পড়ে যায়।
যেভাবে রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা ঢুকলেন
বিপিসি সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ৪০ বছরের বয়সের জাহাজগুলো বিপিসির বহরে আর না রাখার সিদ্ধান্ত হয় এবং আর তিন জ্বালানি তেল কোম্পানিতে (পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা) নবায়ন না করার জন্য বলা হয়। এতে জ্বালানি তেল পরিবহনে ত্রুটিহীন জাপানি জাহাজগুলো বিপিসির বহর থেকে বের করে দেওয়া হয়। মূলত রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের জাহাজ এই বহরে ঢোকানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্র।
বিপিসির মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ আমলে কিছু রাজনৈতিক প্রভাবশালী নৌপথে তেল পরিবহনের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। জ্বালানি পরিবহনের বহর থেকে বাদ দেওয়া জাহাজের অধিকাংশ জাপানের তৈরি। আন্তর্জাতিক কোম্পানি কর্তৃক মানসম্মত। জাপানি জাহাজগুলো বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের।
আর সারা বছর জ্বালানি তেল পরিবহনে এসব জাহাজ ব্যবহারের অনুমোদন নেই স্বীকার করে এই কর্মকর্তা বলেন, বাঘাবাড়ী নৌবন্দরে জ্বালানি তেল পৌঁছাতে আমাদের এসব জাহাজ সারা বছর ব্যবহার করতে হয়।
এদিকে অর্ডিনেন্স অনুযায়ী জ্বালানি তেলের জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে না কেন—এই বিষয়ে জানতে চাইলে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম বলেন, ‘আমাদের বিভাগের লোকবল বা পরিদর্শক কম, তাই এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া বা অভিযান পরিচালনা সম্ভব হয় না।’
বাড়ানো হয়েছে পরিবহন খরচ
সাগরে জাহাজ নামিয়েই দফায় দফায় জ্বালানি তেল পরিবহনের ভাড়া বাড়িয়ে নেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালীরা। বিপিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, এক পয়সা জ্বালানির পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি পেলে বিপিসির ১ কোটি খরচ বেড়ে যায়। ২০১০ সালে কোস্টাল ট্যাংকারে ২.৯৭ টাকা ও শ্যালো ড্রাফটে ৪.০২ টাকা ভাড়া ছিল। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বর মাসে জ্বালানি তেল পরিবহন ভাড়া ছিল কোস্টার ট্যাংকারের জন্য ৬.৪৬ এবং শ্যালো ড্রাপটের ভাড়া ৭.৯৩ টাকা। এ ক্ষেত্রে হাজার হাজার কোটি টাকা নিজেদের পকেটে নেয় এ প্রভাবশালী মহল। বিপিসির নথি পর্যলোচনায় দেখা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুইবার ভাড়া বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অয়েল ট্যাংকার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি আবুল বশর আবু জানান, বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠরা দলীয় বিবেচনায় বিনা টেন্ডারে অবৈধভাবে অসংখ্য জাহাজকে বিপিসির বহরে যুক্ত করেন। এতে তারা ফায়দা লুটে নিলেও ক্ষতি হয় আসল ব্যবসায়ীদের। যার প্রভাব পড়ে পুরো জ্বালানি তেল খাতের ওপর।
নৌপথে জ্বালানি তেল পরিবহনে শ্যালো ড্রাফট, বে-ক্রসিং ও মিনি ট্যাংকার জাহাজ ব্যবহার করা যাবে সাড়ে তিন মাস। সাগর উত্তাল থাকার কারণে এ সাড়ে তিন মাসের বেশি উল্লিখিত নৌযান চলাচল করতে নিষেধ আছে। তবে এই নিষেধের কোনো তোয়াক্কা করছে না সরকারি তিনটি তেল কোম্পানি।
এদিকে গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই পরিবহন বাণিজ্যে ঢুকে পড়েছেন এমপি-মন্ত্রীরা। তাঁদের সুবিধা দিতে দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে পরিবহন ভাড়া। এতে বেড়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের খরচ। অন্য দিকে এসব আওয়ামীপন্থীদের জাহাজগুলো অধিকাংশই দেশে তৈরি। এগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সব মিলিয়ে দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে উঠছে জ্বালানি তেল পরিবহন।
২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বিপিসির বহরে থাকা অয়েল ট্যাংকার ১৭৭টি। এর মধ্যে ৮৭টি কোস্টাল ট্যাংকার এবং শ্যালো ড্রাফট, বে-ক্রসিং ও মিনি ট্যাংকার মিলে রয়েছে ৯০টি। এই ৯০টি শ্যালো ড্রাফট, বে-ক্রসিং ও মিনি ট্যাংকার পরিচালিত হয় ইনল্যান্ড শিপিং অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬ অনুসারে। এই আইন অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ নৌযানের এসব জাহাজ সাড়ে তিন মাস (১৫ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) সাগর ক্রস করে তেল পরিবহন করতে পারবে। তবে সরকারি তিনটি তেল কোম্পানি সারা বছরই তেল পরিবহন করছে।
বিপিসি সূত্র জানায়, সারা দেশে ৭০ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার বিপরীতে তেল আমদানি করা হয়। এর ৫০ লাখ টন নদীপথে পরিবহন করা হয়। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রী-আমলাদের জাহাজে পরিবহন করা হয় প্রায় ৭০ শতাংশ জ্বালানি তেল।
বিপিসির তরফ থেকে ২০২৩ সালে ৮ আগস্ট জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে দেওয়া এক পত্র সূত্রে জানা যায়, বিপিসির বহরে মোট ১৬২টি অয়েল ট্যাংকার আছে। এর মধ্যে ১৪৩টি অয়েল ট্যাংকার দেশে তৈরি। দেশে তৈরি এসব জাহাজের অধিকাংশই বিগত সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী-এমপির মালিকানাধীন। এসব দেশীয় জাহাজ যত্রতত্র দুর্ঘটনায় পড়ছে। জাপানি জাহাজগুলোর এ ধরনের কোনো নজির নেই বলেও ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এমন একটি ট্যাংকার (সাগর নন্দিনী-২) ২০২৩ সালের ১ জুলাই ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বিস্ফোরিত হয়। এতে সুপারভাইজার বিল্লালসহ ৪ জন মারা যান এবং এ সময় বিপুল পরিমাণ তেল নদীতে পড়ে যায়।
যেভাবে রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা ঢুকলেন
বিপিসি সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ৪০ বছরের বয়সের জাহাজগুলো বিপিসির বহরে আর না রাখার সিদ্ধান্ত হয় এবং আর তিন জ্বালানি তেল কোম্পানিতে (পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা) নবায়ন না করার জন্য বলা হয়। এতে জ্বালানি তেল পরিবহনে ত্রুটিহীন জাপানি জাহাজগুলো বিপিসির বহর থেকে বের করে দেওয়া হয়। মূলত রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের জাহাজ এই বহরে ঢোকানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্র।
বিপিসির মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ আমলে কিছু রাজনৈতিক প্রভাবশালী নৌপথে তেল পরিবহনের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। জ্বালানি পরিবহনের বহর থেকে বাদ দেওয়া জাহাজের অধিকাংশ জাপানের তৈরি। আন্তর্জাতিক কোম্পানি কর্তৃক মানসম্মত। জাপানি জাহাজগুলো বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের।
আর সারা বছর জ্বালানি তেল পরিবহনে এসব জাহাজ ব্যবহারের অনুমোদন নেই স্বীকার করে এই কর্মকর্তা বলেন, বাঘাবাড়ী নৌবন্দরে জ্বালানি তেল পৌঁছাতে আমাদের এসব জাহাজ সারা বছর ব্যবহার করতে হয়।
এদিকে অর্ডিনেন্স অনুযায়ী জ্বালানি তেলের জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে না কেন—এই বিষয়ে জানতে চাইলে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম বলেন, ‘আমাদের বিভাগের লোকবল বা পরিদর্শক কম, তাই এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া বা অভিযান পরিচালনা সম্ভব হয় না।’
বাড়ানো হয়েছে পরিবহন খরচ
সাগরে জাহাজ নামিয়েই দফায় দফায় জ্বালানি তেল পরিবহনের ভাড়া বাড়িয়ে নেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালীরা। বিপিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, এক পয়সা জ্বালানির পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি পেলে বিপিসির ১ কোটি খরচ বেড়ে যায়। ২০১০ সালে কোস্টাল ট্যাংকারে ২.৯৭ টাকা ও শ্যালো ড্রাফটে ৪.০২ টাকা ভাড়া ছিল। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বর মাসে জ্বালানি তেল পরিবহন ভাড়া ছিল কোস্টার ট্যাংকারের জন্য ৬.৪৬ এবং শ্যালো ড্রাপটের ভাড়া ৭.৯৩ টাকা। এ ক্ষেত্রে হাজার হাজার কোটি টাকা নিজেদের পকেটে নেয় এ প্রভাবশালী মহল। বিপিসির নথি পর্যলোচনায় দেখা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুইবার ভাড়া বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অয়েল ট্যাংকার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি আবুল বশর আবু জানান, বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠরা দলীয় বিবেচনায় বিনা টেন্ডারে অবৈধভাবে অসংখ্য জাহাজকে বিপিসির বহরে যুক্ত করেন। এতে তারা ফায়দা লুটে নিলেও ক্ষতি হয় আসল ব্যবসায়ীদের। যার প্রভাব পড়ে পুরো জ্বালানি তেল খাতের ওপর।
শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করে তাঁর পক্ষ থেকে বরগুনা পৌর শহরে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে আজ রোববার আওয়ামী লীগ নেতাসহ চারজনকে বিশেষ আইনে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কামরুজ্জামান খোকনের বাসায় জয় বাংলা পরিষদ ব্যানারে ও শেখ হাসিনার নামে গতকাল
৩ মিনিট আগেভোলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জনসাধারণের হয়রানি বন্ধে বিভিন্ন লঞ্চঘাট ও বাজার তদারকি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান ও জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফুল হক আজ রোববার দুপুরে এ তদারকি করেন। এ সময় ফুটপাতে অবৈধভাবে বসা দোকান উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদাত মোহাম্
১ ঘণ্টা আগেবরিশালের গৌরনদীতে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গরুর মাংস বিক্রির দায়ে বাবুল সরদার নাম এক কসাইকে (মাংস বিক্রেতাকে) ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (৩০ মার্চ) দুপুরে গৌরনদী পৌরসভার আশাকাঠি বাজারে অভিযান চালিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজিব হোসেন এ জরিমানা করেন।
১ ঘণ্টা আগেসৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ রোববার বরিশালের বিভিন্ন স্থানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়েছে। চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার এলাহবাদ জাহাগীরিয়া শাহ সুফি দরবার শরিফে, সাতকানিয়ার মির্জাখালী দরবার শরিফে ও আহমাদিয়া জামাত অনুসারীরা এই ঈদ উদ্যাপন করছেন।
১ ঘণ্টা আগে