কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনাকেন্দ্রটি ২০১০ সালে উদ্বোধন করা হয়। কিছুদিন ঠিকমতো চলার পর আট বছর ধরে এর দায়িত্বে কেউ নেই। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই ইউনিয়নের বাসিন্দারা।
এদিকে কেন্দ্রটির দায়িত্বে কেউ না থাকায় ভেতরের কক্ষগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক বলছেন, লোকবল-সংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। তবে কেন্দ্রটি মেরামতের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনাকেন্দ্রটি প্রায় ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। ২০১০ সালে কেন্দ্রটি উদ্বোধন করা হয়। কিছুদিন সেবা দেওয়ার পর প্রায় আট বছর ধরে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না ইউনিয়নের বাসিন্দারা। বছরের পর বছর এ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে কেউ না থাকায় অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে ভেতরের জিনিসপত্র।
ইউনিয়নের কয়েক ব্যক্তি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘বছরের পর বছর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে কেন্দ্রটি। উদ্বোধনের পর থেকে সেবা পাইনি বললেই চলে। এই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের কি কারও চোখে পড়ে না? আমরা কি সেবা পাওয়ার যোগ্য না? চিকিৎসাসেবা দেওয়া তো দূরের কথা, কারও চেহারাই দেখা যায় না এই কেন্দ্রে। একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক কালেভদ্রে আসেন। তবে খুব কম মানুষই তাঁর খবর পান।
মাইজচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলী আকবর বলেন, কেন্দ্রটিতে চারটি পদ থাকলেও পরিবারকল্যাণ পরিদর্শক পদে একজন কর্মরত। তিনিও নিয়মিত সেবা না দিয়ে বেতন ঠিকই তুলছেন।
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক এস এম খাইরুল আমিন বলেন, লোকবল-সংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। কেন্দ্রটি পুনরায় মেরামতের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনাকেন্দ্রটি ২০১০ সালে উদ্বোধন করা হয়। কিছুদিন ঠিকমতো চলার পর আট বছর ধরে এর দায়িত্বে কেউ নেই। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই ইউনিয়নের বাসিন্দারা।
এদিকে কেন্দ্রটির দায়িত্বে কেউ না থাকায় ভেতরের কক্ষগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক বলছেন, লোকবল-সংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। তবে কেন্দ্রটি মেরামতের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনাকেন্দ্রটি প্রায় ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। ২০১০ সালে কেন্দ্রটি উদ্বোধন করা হয়। কিছুদিন সেবা দেওয়ার পর প্রায় আট বছর ধরে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না ইউনিয়নের বাসিন্দারা। বছরের পর বছর এ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে কেউ না থাকায় অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে ভেতরের জিনিসপত্র।
ইউনিয়নের কয়েক ব্যক্তি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘বছরের পর বছর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে কেন্দ্রটি। উদ্বোধনের পর থেকে সেবা পাইনি বললেই চলে। এই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের কি কারও চোখে পড়ে না? আমরা কি সেবা পাওয়ার যোগ্য না? চিকিৎসাসেবা দেওয়া তো দূরের কথা, কারও চেহারাই দেখা যায় না এই কেন্দ্রে। একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক কালেভদ্রে আসেন। তবে খুব কম মানুষই তাঁর খবর পান।
মাইজচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলী আকবর বলেন, কেন্দ্রটিতে চারটি পদ থাকলেও পরিবারকল্যাণ পরিদর্শক পদে একজন কর্মরত। তিনিও নিয়মিত সেবা না দিয়ে বেতন ঠিকই তুলছেন।
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক এস এম খাইরুল আমিন বলেন, লোকবল-সংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। কেন্দ্রটি পুনরায় মেরামতের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি বেড়েই চলছে। এ কারণে চালক ও যাত্রীদের কাছে আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে এই সড়ক। ডাকাতির শিকার বেশি হচ্ছেন প্রবাসফেরত লোকজন। ডাকাতেরা অস্ত্র ঠেকিয়ে লুট করে নিচ্ছে সর্বস্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়েও ঘটছে ডাকাতির ঘটনা।
০২ মার্চ ২০২৫বিআরটিসির বাস দিয়ে চালু করা বিশেষায়িত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) লেনে অনুমতি না নিয়েই চলছে বেসরকারি কোম্পানির কিছু বাস। ঢুকে পড়ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। উল্টো পথে চলছে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে বিআরটিসির মাত্র ১০টি বাস চলাচল করায় সোয়া চার হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প থেকে...
১৬ জানুয়ারি ২০২৫গাজীপুর মহানগরের বোর্ডবাজার এলাকার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা পিকনিকে যাচ্ছিলেন শ্রীপুরের মাটির মায়া ইকো রিসোর্টে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে বাসগুলো গ্রামের সরু সড়কে ঢোকার পর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায় বিআরটিসির একটি দোতলা বাস...
২৪ নভেম্বর ২০২৪ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় সন্দ্বীপের ব্লক বেড়িবাঁধসহ একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। এ জন্য টেন্ডারও হয়েছে। প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শুরু করছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তাগাদায়ও কোনো কাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন...
২০ নভেম্বর ২০২৪