প্রতিটি ঋতুতেই আছে ত্বকে অ্যালার্জি তৈরির অনেক কারণ। এ থেকে রেহাই পাওয়ার ভালো উপায় হলো অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী উপাদান থেকে দূরে থাকা। তবে অ্যালার্জি হওয়ার পর কিছু প্রাকৃতিক উপায়ে তা দূর করার চেষ্টা করা যায়।
১. ঠান্ডা পানিতে গোসল: ঠান্ডা পানিতে গোসল ত্বকের জ্বলা কমাতে সহায়তা করে। এটি রক্তনালি সংকুচিত করে হিস্টামিনের ক্ষরণ কমায় এবং অ্যালার্জির উপসর্গগুলো মৃদু করে।
২. জলপাই তেল: এক্সট্রা ভার্জিন জলপাই তেল ত্বক কোমল রাখে এবং এর ভিটামিন ই ত্বকের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। এটি রাসায়নিক সমৃদ্ধ ময়শ্চারাইজারের চেয়ে অনেক ভালো।
৩. বেকিং সোডা: এটি ত্বকের র্যাশ দূর করতে, চুলকানি কমাতে এবং ত্বকের প্রদাহ নিরাময়ে সাহায্য করে। আধা চা-চামচ বেকিং সোডা পানির সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ৫–১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
৪. অ্যালোভেরা: ত্বকে অ্যালোভেরার ব্যবহার অ্যালার্জি মোকাবিলায় কার্যকর পদ্ধতি। এতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাংগাল এবং এন্টি-ইরিট্যান্ট গুণ। এর মোলায়েম জেল অ্যালার্জি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে পারে।
৫. আপেল সিডার ভিনেগার: আপেল সিডার ভিনেগারের অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টি-ইরিট্যান্ট গুণ ত্বকের চুলকানি কমায়। এটি ত্বক আর্দ্র রাখে। অর্গানিক আপেল সিডার ভিনেগার আক্রান্ত স্থানে মেখে ৫ থেকে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। দিনে ২ বার এটি ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
সূত্র: নেটমেডস

স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, বেড়েছে গড় আয়ু। তবে অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে সীমাবদ্ধতা।
৩ দিন আগে
শীতকে বিদায় জানিয়ে চলে এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। প্রকৃতিতে ছড়াচ্ছে উষ্ণতা। এই অবস্থায় ঋতু পরিবর্তনজনিত কারণে অনেকেই এখন সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় অনুসরণ করলেই রোগীর কষ্ট কিছুটা কমানো সম্ভব।
৪ দিন আগে
প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ নটর ডেম অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকার উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেনসিটাইজেশন অনুষ্ঠান হয়ে গেল। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি, নটর ডেম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সার্বিক সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়...
৫ দিন আগে
দরজায় কড়া নাড়ছে মাহে রমজান, মুসলিম জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ মাস। সুন্দরভাবে সিয়াম সাধনা করতে আগে থেকে মাসটি নিয়ে থাকে অনেক পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনার একটা বড় অংশ হচ্ছে মাহে রমজানের খাওয়াদাওয়া। কীভাবে খাবার খেলে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই রোজা রাখা যাবে, সেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
৬ দিন আগে