
দক্ষিণ সুদানের ইউনিটি স্টেটে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ জন নিহত হয়েছেন। বিমানটিতে দেশটির জ্বালানি খাতের কর্মীরা ছিলেন। বুধবার সকালে ইউনিটি অয়েলফিল্ড বিমানবন্দরে বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয় বলে জানিয়েছেন ইউনিটি স্টেটের তথ্যমন্ত্রী গাটওয়েচ বিপাল।
সিএনএন জানিয়েছে, বিমানটি রাজধানী জুবা যাওয়ার পথে বিধ্বস্ত হয়। নিহতদের মধ্যে চীনের রাষ্ট্রীয় ‘চায়না ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম করপোরেশন’ এবং ‘নাইল পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের’ যৌথ প্রতিষ্ঠান গ্রেটার পাইওনিয়ার অপারেটিং কোম্পানির কর্মীরা ছিলেন।
ইউনিটি স্টেটের তথ্যমন্ত্রী গাটওয়েচ বিপাল জানান, নিহতদের মধ্যে দুজন চীনা ও একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। তবে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ১৮ জন নিহত হওয়ার খবর দিয়েছিল। তবে বিপাল পরে জানান, দুজন আহত ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০। এ ঘটনায় মাত্র একজন ব্যক্তি জীবিত আছেন।
চলমান সংঘাত ও দুর্বল অবকাঠামোর কারণে দক্ষিণ সুদানে এর আগেও একাধিক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে রাজধানী জুবা থেকে ইয়িরোল শহরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৯ জন নিহত হয়েছিলেন। ২০১৫ সালে রাজধানী জুবা বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই একটি রাশিয়ান কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হলে ডজনখানেক মানুষ প্রাণ হারান।

পুরোনো পানি সরবরাহ ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এক ব্যতিক্রমী অনুদান পেয়েছে জাপানের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ওসাকা। শহরটির মিউনিসিপ্যাল ওয়াটারওয়ার্কস ব্যুরো গত নভেম্বরে পরিচয় গোপন রাখা এক ব্যক্তির কাছ থেকে মোট ২১ কেজি ওজনের স্বর্ণের বার গ্রহণ করে।
১ ঘণ্টা আগে
ভিডিওতে দেখা যায়, দুই ভারতীয় যুবক একটি ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। তাঁদের ঠিক পেছনেই ছিল হুডি পরা কয়েক ব্যক্তি। পরবর্তী দৃশ্যে দেখা যায়, একটি পার্কে হামলাকারীরা একজন ভারতীয়কে জাপটে ধরে রেখেছে এবং অন্যজন তাঁকে ক্রমাগত ঘুষি মারছে। হিব্রু ভাষায় ভিডিওটির ক্যাপশনে এই হামলাকে ‘পূর্বপরিকল্পিত’ এবং ‘বর্ণবা
৩ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার রাজধানী বানজুল থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার দূরে কানিফিং। বিকেলের পড়ন্ত রোদে বাড়ির উঠানে হুইলচেয়ারে বসে আছেন ৪২ বছর বয়সী ইউসুফা এমবাই। তাঁর বৃদ্ধা মা অতি সন্তর্পণে ছেলের পায়ের ওপর চাদরটি টেনে দিচ্ছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো ও আলবেনিয়া গাজায় মোতায়েন করতে যাওয়া আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা সেনা পাঠানোর অঙ্গীকার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসের এক বৈঠকে এ তথ্য জানিয়েছেন সদ্য গঠিত ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্সের (আইএসএফ) কমান্ডার। খবর আল জাজিরার।
৫ ঘণ্টা আগে