নারীদের প্রথম নথিভুক্ত গলফ টুর্নামেন্টটি হয়েছিল ১৮১১ সালের ৯ জানুয়ারি। অর্থ ও খ্যাতির দিকে বিশ্বের দামি খেলা এটি। সময়ের সঙ্গে অন্যান্য খেলার মতো এতেও নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। ন্যাশনাল গলফ ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, ২০১৭ সালে পৃথিবীতে নারী গলফ খেলোয়াড় ছিলেন প্রায় ৬০ লাখ। ২০১৯ সালে সেই সংখ্যা প্রায় ছুঁয়ে ফেলে ৭০ লাখের ঘর।
১৫৪২ থেকে ১৫৬৭ সাল পর্যন্ত স্কটল্যান্ড শাসন করেছিলেন রানি মেরি। অনেকে তাঁকে গলফ খেলা প্রথম নারী হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর শাসনামলে বিখ্যাত সেন্ট অ্যান্ড্রুজ লিংকস গলফ কোর্স নির্মিত হয়েছিল।
এ খেলায় ব্যবহৃত ‘ক্যাডি’ শব্দটি তৈরির জন্য মেরিকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়। ১৮১১ সালে নারীদের জন্য আয়োজিত টুর্নামেন্টটি স্কটল্যান্ডের পূর্ব লোথিয়ানের মুসেলবার্গ শহরে সেখানকার জেলেদের স্ত্রী ও পাশের শহর ফিশারোর নারীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই টুর্নামেন্টে বিজয়ীর জন্য পুরস্কার ছিল একটি ক্রিল ও একটি শাল।
১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডে সেন্ট অ্যান্ড্রুজ গলফ ক্লাব তৈরি হলেও নারীদের জন্য গলফ ক্লাব গঠিত হয় ১৮৬৭ সালে। ক্লাবটি পরে সেন্ট অ্যান্ড্রুজ লেডিস পুটিং ক্লাব নামে পরিচিতি লাভ করে এবং বর্তমানে দা লেডিস পুটিং ক্লাব অব সেন্ট অ্যান্ড্রুজ নামে পরিচিত। প্রথম নারী পেশাদার গলফার ছিলেন হেলেন হিকস।

প্রবাদ বলে, প্রত্যেক সফল পুরুষের পেছনে একজন নারী থাকেন। এই প্রবল নারী বিরোধিতার যুগেও সেটা দেখা গেল পার্বত্য চট্টগ্রামে। সে অঞ্চলের রাজনীতির আকাশে অনন্য নাম অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। এই রাজনীতিবিদের এবারের ভূমিধস বিজয়ের পেছনে প্রচ্ছন্ন নয়, একেবারে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে তাঁর সহধর্মিণী মৈত্রী...
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশে নারীদের মোটরসাইকেল চালনার হার ধীরে ধীরে বাড়ছে। বর্তমানে মোট মোটরসাইকেল চালকের প্রায় ১ শতাংশ নারী। তবে গবেষকেরা জানাচ্ছেন, সামাজিক মনোভাবের পরিবর্তন, যানজট, ব্যক্তিগত চলাচল এবং আয়ের প্রয়োজন বেড়ে যাওয়ায় নারী বাইকারের সংখ্যা বাড়ছে।
২ দিন আগে
আগুনে পুড়ে খাঁটি সোনা হওয়ার গল্প আমরা অনেক শুনেছি। কিন্তু ঝু কুনফেইর গল্পটাকে বলতে হয় কাচ ঘষে হীরা হওয়ার গল্প। চীনের এক প্রত্যন্ত গ্রামের চরম দারিদ্র্য থেকে উঠে আসা এই ব্যক্তিত্ব আজ বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী ‘সেলফ-মেড’ নারী। অ্যাপল, স্যামসাং কিংবা টেসলার মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের টাচস্ক্রিন সাম্র
২ দিন আগে
বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আদালতে যেসব কারণ সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, সেগুলোর মধ্যে আছে, দীর্ঘমেয়াদি ভরণপোষণের অভাব, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, পরিবারের প্রতি দায়িত্বহীনতা এবং মানসিক, সামাজিক ও আর্থিকভাবে একসঙ্গে থাকা অসহনীয় অবস্থা।
২ দিন আগে