সম্পাদকীয়
বাউল মানে তো বাউল। ঘরে কি আর মন টেকে। মন উদাস হলেই চলে যান গান গাইতে। গানই যখন ধ্যান-জ্ঞান, তখন স্ত্রী পড়ে থাকেন দূরে।
শাহ আবদুল করিমের জীবনেও ব্যাপারটি ছিল সে রকম। গান গাওয়ার জন্য তিনি চলে যেতেন এদিক-ওদিক। গানের সঙ্গেই ছিল তাঁর সখ্য। তবে সরলা থাকতেন মনের কোণে।
স্ত্রীর নাম নিজেই রেখেছিলেন সরলা। তাঁর ‘কালনীর ঢেউ’ বইয়ে সরলার বর্ণনা ছিল এভাবে, ‘সরল, তুমি শান্ত, তুমি নুরের পুতুল। সরল জানিয়া আমি নাম রাখি সরলা।’
সরলা যখন বেঁচে ছিলেন, তখন বাউল কি বুঝেছিলেন, তাঁকে কতটা অধিকার করে রেখেছেন এই সহজ-সরল মেয়েটি?
বিয়ের পর বাংলা ১৩৯৭ সনে বাউলের ঘরে জন্ম নিয়েছিল একমাত্র সন্তান শাহ নূরজালাল। সেই নূরজালাল তখন পড়াশোনা করছে সিলেটে। সরলা তখন উজানধলায়। বাউল গেছেন সিলেটে গান করতে। সে রকম এক রাতে বাউলের উজানধলের বাড়িতে মৃত্যুবরণ করলেন সরলা। দুদিন পর খবর পেলেন বাউল। একবুক শূন্যতা নিয়ে উজানধলে ছুটে এলেন তিনি। এত দিন গানই ছিল তাঁর সুখ, আনন্দ আর সংসার। সরলা ছাড়া এগুলোর যে কোনো মানে নেই, সেটা বুঝতে পারলেন তিনি। সারা জীবন তিনি সরলাকে সময় দিতে পারেননি। তাই গানে গানে তাঁকে অমর করে রাখলেন। ‘কেমনে ভুলিব আমি বাঁচি না তারে ছাড়া, আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা...’, ‘সখী কুঞ্জ সাজাও গো’ গানগুলো আসলে সরলার জন্য।
এক সাক্ষাৎকারে বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিম তো বলেছিলেন, ‘সরলা না থাকলে আমি বাউল আবদুল করিম হতে পারতাম না। সরলা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। আমার বাউলজীবনের মুর্শিদ জ্ঞান সরলা।’
সূত্র: গোলাম রব্বানী, শাহ আব্দুল করিম স্মারকগ্রন্থ, পৃষ্ঠা ৮৬
বাউল মানে তো বাউল। ঘরে কি আর মন টেকে। মন উদাস হলেই চলে যান গান গাইতে। গানই যখন ধ্যান-জ্ঞান, তখন স্ত্রী পড়ে থাকেন দূরে।
শাহ আবদুল করিমের জীবনেও ব্যাপারটি ছিল সে রকম। গান গাওয়ার জন্য তিনি চলে যেতেন এদিক-ওদিক। গানের সঙ্গেই ছিল তাঁর সখ্য। তবে সরলা থাকতেন মনের কোণে।
স্ত্রীর নাম নিজেই রেখেছিলেন সরলা। তাঁর ‘কালনীর ঢেউ’ বইয়ে সরলার বর্ণনা ছিল এভাবে, ‘সরল, তুমি শান্ত, তুমি নুরের পুতুল। সরল জানিয়া আমি নাম রাখি সরলা।’
সরলা যখন বেঁচে ছিলেন, তখন বাউল কি বুঝেছিলেন, তাঁকে কতটা অধিকার করে রেখেছেন এই সহজ-সরল মেয়েটি?
বিয়ের পর বাংলা ১৩৯৭ সনে বাউলের ঘরে জন্ম নিয়েছিল একমাত্র সন্তান শাহ নূরজালাল। সেই নূরজালাল তখন পড়াশোনা করছে সিলেটে। সরলা তখন উজানধলায়। বাউল গেছেন সিলেটে গান করতে। সে রকম এক রাতে বাউলের উজানধলের বাড়িতে মৃত্যুবরণ করলেন সরলা। দুদিন পর খবর পেলেন বাউল। একবুক শূন্যতা নিয়ে উজানধলে ছুটে এলেন তিনি। এত দিন গানই ছিল তাঁর সুখ, আনন্দ আর সংসার। সরলা ছাড়া এগুলোর যে কোনো মানে নেই, সেটা বুঝতে পারলেন তিনি। সারা জীবন তিনি সরলাকে সময় দিতে পারেননি। তাই গানে গানে তাঁকে অমর করে রাখলেন। ‘কেমনে ভুলিব আমি বাঁচি না তারে ছাড়া, আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা...’, ‘সখী কুঞ্জ সাজাও গো’ গানগুলো আসলে সরলার জন্য।
এক সাক্ষাৎকারে বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিম তো বলেছিলেন, ‘সরলা না থাকলে আমি বাউল আবদুল করিম হতে পারতাম না। সরলা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। আমার বাউলজীবনের মুর্শিদ জ্ঞান সরলা।’
সূত্র: গোলাম রব্বানী, শাহ আব্দুল করিম স্মারকগ্রন্থ, পৃষ্ঠা ৮৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি বেড়েই চলছে। এ কারণে চালক ও যাত্রীদের কাছে আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে এই সড়ক। ডাকাতির শিকার বেশি হচ্ছেন প্রবাসফেরত লোকজন। ডাকাতেরা অস্ত্র ঠেকিয়ে লুট করে নিচ্ছে সর্বস্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়েও ঘটছে ডাকাতির ঘটনা।
০২ মার্চ ২০২৫বিআরটিসির বাস দিয়ে চালু করা বিশেষায়িত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) লেনে অনুমতি না নিয়েই চলছে বেসরকারি কোম্পানির কিছু বাস। ঢুকে পড়ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। উল্টো পথে চলছে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে বিআরটিসির মাত্র ১০টি বাস চলাচল করায় সোয়া চার হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প থেকে...
১৬ জানুয়ারি ২০২৫গাজীপুর মহানগরের বোর্ডবাজার এলাকার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা পিকনিকে যাচ্ছিলেন শ্রীপুরের মাটির মায়া ইকো রিসোর্টে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে বাসগুলো গ্রামের সরু সড়কে ঢোকার পর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায় বিআরটিসির একটি দোতলা বাস...
২৪ নভেম্বর ২০২৪ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় সন্দ্বীপের ব্লক বেড়িবাঁধসহ একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। এ জন্য টেন্ডারও হয়েছে। প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শুরু করছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তাগাদায়ও কোনো কাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন...
২০ নভেম্বর ২০২৪