প্রমিতি কিবরিয়া ইসলাম, ঢাকা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ছবি শেয়ার করার আগে জেনে নিতে হবে, সেটি আসল, নাকি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি। এখন এভাবে ছবি তৈরি করা খুব সহজ বিষয়। এসব ছবি ক্রমাগত নিখুঁত হয়ে উঠছে। ফলে এগুলো এখন বিভিন্ন ধরনের গুজব বা অপতথ্য তৈরির জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে দেদার। তবে কিছু বিষয় জানা থাকলে এআই দিয়ে তৈরি ছবি শনাক্ত করা সহজ হয়।
রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করুন
এআই দিয়ে তৈরি ছবি চেনার সহজ ও কার্যকর উপায় হলো ‘রিভার্স ইমেজ সার্চ’ টুল ব্যবহার করা। এ জন্য গুগল রিভার্স ইমেজ সার্চ, টিনআই বা গুগল বার্ডের মতো টুলগুলো ব্যবহার করা যায়। এসব প্ল্যাটফর্মে ছবি আপলোড করলে বা ছবির লিংক দিলে এআই ছবিটি খুঁজে দেবে। ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি হলে সেটির বিভিন্ন সংস্করণ বা কিছুটা পরিবর্তিতভাবে অনলাইনে দেখা যাবে। আবার হুবহু একই ছবিও অনলাইনে দেখা যাবে। ফলে ছবিটি কোথায় কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে, তা জানা যাবে সহজে। কোন ওয়েবসাইট বা উৎস থেকে ছবিটি তৈরি হয়েছে, সে সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে।
টেক্সচার পরীক্ষা করুন
টেক্সচার বা গঠনবিন্যাস এআই দিয়ে তৈরি ছবি চিহ্নিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষত পুরোনো বা কম উন্নত এআই সিস্টেমগুলো ত্বক, চুল ও কাপড়ের গঠনবিন্যাস সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে না। ছবির এসব বিষয়ের অসংগতিগুলো খুঁটিয়ে দেখতে হবে। এআই দিয়ে তৈরি ছবির ত্বকে কোনো ধরনের খুঁত, ভাঁজ বা টেক্সচার দেখা যায় না। এমনকি দাঁত বা চুলও বাস্তবতার তুলনায় অতি মসৃণ বলে মনে হয়। আর পুরো ছবিটি বাস্তবের তুলনায় বেশি চকচকে হবে।
অসংগতি পরীক্ষা করুন
ছবির বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে অসংগতি রয়েছে কি না, তা দেখেও এআই দিয়ে তৈরি ছবি চেনা যায়। এসব ছবিতে প্রায়ই ছোট ছোট অমিল থাকে। তাই ছবির আলোছায়া ভালোমতো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এআই দিয়ে তৈরি ছবির প্রতিটি বস্তুতে সমানভাবে আলো পড়ে না বা অস্বাভাবিক জায়গায় ছায়া পড়ে।
এআই পানি, কাচ বা ধাতবপৃষ্ঠের ওপর আলোর সঠিক প্রতিফলন তৈরি করতে পারে না। এ ছাড়া চোখের মণি বা চশমার ওপর আলোর প্রতিফলনেও অসামঞ্জস্য দেখা যায়। সাধারণত মানুষ বা অন্য কোনো বস্তুর ছায়াও এআই ঠিকভাবে তৈরি করতে পারে না।
শারীরিক গঠন
মানুষের বাস্তবসম্মত ছবি তৈরি করতে এআই কিছুটা হিমশিম খায়। মুখ, মাথার চুল বা থুতনির প্রান্ত ঝাপসা দেখা গেলে বুঝতে হবে, ছবিটিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
বিশেষ করে হাত, চোখ ও কানের অংশে এআই ভুল করে থাকে। এআই দিয়ে তৈরি ছবিতে মানুষের অতিরিক্ত আঙুল, অস্বাভাবিক আকারের হাত বা কিছুটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ চোখ থাকতে পারে। অনেক সময় দাঁত অস্বাভাবিকভাবে প্রদর্শিত হতে পারে এবং কান দুটি ভিন্ন আকৃতির হতে পারে। ব্যক্তি বা কোনো প্রাণীর শারীরিক গঠনে কোনো অস্বাভাবিকতা পেলে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি বলে ধরে নেওয়া যায়।
ছবির ডিটেইল পর্যবেক্ষণ করুন
পোশাকের জটিল নকশা সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে না এআই। ফলে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড বা ছবিতে থাকা কাপড় কিংবা দেয়ালের কারুকাজে সাধারণত ত্রুটি থেকে যায়। এই বিস্তারিত বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করলে এআই দিয়ে তৈরি ছবি সহজে শনাক্ত করা যায়।
‘নিখুঁত’ ছবির প্রতি সতর্ক থাকুন
ছবিগুলো প্রায়ই নিখুঁত করার চেষ্টা করে এআই। কোনো ছবির এই গুণ এআই দিয়ে তৈরি ছবি চেনার একটি মানদণ্ড হতে পারে। বাস্তব জীবনে দাগহীন ত্বক এবং মুখের সব বৈশিষ্ট্যের অনুপাত সমান হয় না। কিন্তু এআই দিয়ে তৈরি ছবি সাধারণত নিখুঁত হয়ে থাকে। এ ছাড়া ছবিতে অনুভূতি ও অভিব্যক্তি কীভাবে ফোটানো হয়েছে, তা-ও লক্ষ করুন। এআই এমন মুখ তৈরি করতে পারে, যার অভিব্যক্তি খুবই অস্বাভাবিক দেখায়। মানুষের আবেগের সূক্ষ্ম অভিব্যক্তির অভাব থাকতে পারে এআই দিয়ে তৈরি ছবিতে।
মেটাডেটা পরীক্ষা করা
বাস্তব ছবির সঙ্গে এআই ছবির আরেকটি মূল পার্থক্য হলো মেটাডেটা। ক্যামেরায় তোলা ছবিতে ক্যামেরা সেটিংস, লেন্সের ধরন, শাটার স্পিড, অ্যাপারচারের মতো বিভিন্ন তথ্য ছবির সঙ্গে যুক্ত হয়। কিন্তু এআই দিয়ে তৈরি ছবিতে এ ধরনের কোনো তথ্য থাকে না। এআই দিয়ে তৈরি ছবির ক্ষেত্রে সাধারণত সফটওয়্যারের নাম, এডিটিং প্ল্যাটফর্ম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল উল্লেখ থাকে মেটাডেটায়। এসব তথ্য দেখার জন্য ইমেজ ভিউয়ার বা অনলাইন টুল ব্যবহার করতে পারেন।
তথ্যসূত্র: গ্যাজেটস নাও
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ছবি শেয়ার করার আগে জেনে নিতে হবে, সেটি আসল, নাকি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি। এখন এভাবে ছবি তৈরি করা খুব সহজ বিষয়। এসব ছবি ক্রমাগত নিখুঁত হয়ে উঠছে। ফলে এগুলো এখন বিভিন্ন ধরনের গুজব বা অপতথ্য তৈরির জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে দেদার। তবে কিছু বিষয় জানা থাকলে এআই দিয়ে তৈরি ছবি শনাক্ত করা সহজ হয়।
রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করুন
এআই দিয়ে তৈরি ছবি চেনার সহজ ও কার্যকর উপায় হলো ‘রিভার্স ইমেজ সার্চ’ টুল ব্যবহার করা। এ জন্য গুগল রিভার্স ইমেজ সার্চ, টিনআই বা গুগল বার্ডের মতো টুলগুলো ব্যবহার করা যায়। এসব প্ল্যাটফর্মে ছবি আপলোড করলে বা ছবির লিংক দিলে এআই ছবিটি খুঁজে দেবে। ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি হলে সেটির বিভিন্ন সংস্করণ বা কিছুটা পরিবর্তিতভাবে অনলাইনে দেখা যাবে। আবার হুবহু একই ছবিও অনলাইনে দেখা যাবে। ফলে ছবিটি কোথায় কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে, তা জানা যাবে সহজে। কোন ওয়েবসাইট বা উৎস থেকে ছবিটি তৈরি হয়েছে, সে সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে।
টেক্সচার পরীক্ষা করুন
টেক্সচার বা গঠনবিন্যাস এআই দিয়ে তৈরি ছবি চিহ্নিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষত পুরোনো বা কম উন্নত এআই সিস্টেমগুলো ত্বক, চুল ও কাপড়ের গঠনবিন্যাস সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে না। ছবির এসব বিষয়ের অসংগতিগুলো খুঁটিয়ে দেখতে হবে। এআই দিয়ে তৈরি ছবির ত্বকে কোনো ধরনের খুঁত, ভাঁজ বা টেক্সচার দেখা যায় না। এমনকি দাঁত বা চুলও বাস্তবতার তুলনায় অতি মসৃণ বলে মনে হয়। আর পুরো ছবিটি বাস্তবের তুলনায় বেশি চকচকে হবে।
অসংগতি পরীক্ষা করুন
ছবির বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে অসংগতি রয়েছে কি না, তা দেখেও এআই দিয়ে তৈরি ছবি চেনা যায়। এসব ছবিতে প্রায়ই ছোট ছোট অমিল থাকে। তাই ছবির আলোছায়া ভালোমতো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এআই দিয়ে তৈরি ছবির প্রতিটি বস্তুতে সমানভাবে আলো পড়ে না বা অস্বাভাবিক জায়গায় ছায়া পড়ে।
এআই পানি, কাচ বা ধাতবপৃষ্ঠের ওপর আলোর সঠিক প্রতিফলন তৈরি করতে পারে না। এ ছাড়া চোখের মণি বা চশমার ওপর আলোর প্রতিফলনেও অসামঞ্জস্য দেখা যায়। সাধারণত মানুষ বা অন্য কোনো বস্তুর ছায়াও এআই ঠিকভাবে তৈরি করতে পারে না।
শারীরিক গঠন
মানুষের বাস্তবসম্মত ছবি তৈরি করতে এআই কিছুটা হিমশিম খায়। মুখ, মাথার চুল বা থুতনির প্রান্ত ঝাপসা দেখা গেলে বুঝতে হবে, ছবিটিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
বিশেষ করে হাত, চোখ ও কানের অংশে এআই ভুল করে থাকে। এআই দিয়ে তৈরি ছবিতে মানুষের অতিরিক্ত আঙুল, অস্বাভাবিক আকারের হাত বা কিছুটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ চোখ থাকতে পারে। অনেক সময় দাঁত অস্বাভাবিকভাবে প্রদর্শিত হতে পারে এবং কান দুটি ভিন্ন আকৃতির হতে পারে। ব্যক্তি বা কোনো প্রাণীর শারীরিক গঠনে কোনো অস্বাভাবিকতা পেলে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি বলে ধরে নেওয়া যায়।
ছবির ডিটেইল পর্যবেক্ষণ করুন
পোশাকের জটিল নকশা সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে না এআই। ফলে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড বা ছবিতে থাকা কাপড় কিংবা দেয়ালের কারুকাজে সাধারণত ত্রুটি থেকে যায়। এই বিস্তারিত বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করলে এআই দিয়ে তৈরি ছবি সহজে শনাক্ত করা যায়।
‘নিখুঁত’ ছবির প্রতি সতর্ক থাকুন
ছবিগুলো প্রায়ই নিখুঁত করার চেষ্টা করে এআই। কোনো ছবির এই গুণ এআই দিয়ে তৈরি ছবি চেনার একটি মানদণ্ড হতে পারে। বাস্তব জীবনে দাগহীন ত্বক এবং মুখের সব বৈশিষ্ট্যের অনুপাত সমান হয় না। কিন্তু এআই দিয়ে তৈরি ছবি সাধারণত নিখুঁত হয়ে থাকে। এ ছাড়া ছবিতে অনুভূতি ও অভিব্যক্তি কীভাবে ফোটানো হয়েছে, তা-ও লক্ষ করুন। এআই এমন মুখ তৈরি করতে পারে, যার অভিব্যক্তি খুবই অস্বাভাবিক দেখায়। মানুষের আবেগের সূক্ষ্ম অভিব্যক্তির অভাব থাকতে পারে এআই দিয়ে তৈরি ছবিতে।
মেটাডেটা পরীক্ষা করা
বাস্তব ছবির সঙ্গে এআই ছবির আরেকটি মূল পার্থক্য হলো মেটাডেটা। ক্যামেরায় তোলা ছবিতে ক্যামেরা সেটিংস, লেন্সের ধরন, শাটার স্পিড, অ্যাপারচারের মতো বিভিন্ন তথ্য ছবির সঙ্গে যুক্ত হয়। কিন্তু এআই দিয়ে তৈরি ছবিতে এ ধরনের কোনো তথ্য থাকে না। এআই দিয়ে তৈরি ছবির ক্ষেত্রে সাধারণত সফটওয়্যারের নাম, এডিটিং প্ল্যাটফর্ম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল উল্লেখ থাকে মেটাডেটায়। এসব তথ্য দেখার জন্য ইমেজ ভিউয়ার বা অনলাইন টুল ব্যবহার করতে পারেন।
তথ্যসূত্র: গ্যাজেটস নাও
ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার প্রস্তুতকারক প্যারাগন সলিউশনসের সম্ভাব্য গ্রাহক হিসেবে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, সাইপ্রাস, ডেনমার্ক, ইসরায়েল এবং সিঙ্গাপুরের সরকারের নাম উঠে এসেছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কানাডার একদল গবেষক।
১ ঘণ্টা আগেবর্তমান যুগের ব্যস্ত মানুষেরা ছোট দৈর্ঘ্যের ভিডিও বেশ পছন্দ করে। টিকটকের জনপ্রিয়তা তারই প্রমাণ। ফেসবুকও ব্যবহারকারীদের সৃজনশীল ও আকর্ষণীয় ছোট দৈর্ঘ্যের রিল ভিডিও তৈরির সুযোগ দেয়। এটি মূলত ইনস্টাগ্রাম রিলের মতো, তবে ফেসবুকের নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে তৈরি করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগেচলতি বছরের ১৪ অক্টোবরের পর উইন্ডোজ ১০-অপারেটিং সিস্টেমের জন্য আর কোনো সফটওয়্যার হালনাগাদ, নিরাপত্তা সংশোধনী বা কারিগরি সহায়তা দেবে না মাইক্রোসফট। এদিকে উইন্ডোজ ১১-এ আপগ্রেডের জন্য উন্নত হার্ডওয়্যারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ফলে পুরোনো মডেলের ২৪ কোটি কম্পিউটার ইলেকট্রনিক বর্জ্য হিসেবে ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া
১ দিন আগেটিকটককে যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ করার সময়সীমা আরও ৭৫ দিনের সময় পেছালেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সময়ের মধ্যে টিকটককে তার যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা বিক্রির ব্যাপারে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, অন্যথায় দেশটিতে বন্ধ হয়ে যেতে পারে অ্যাপটি।
১ দিন আগে