আবির আহসান রুদ্র
প্রতিনিয়ত বাড়ছে প্রযুক্তিসামগ্রীর ব্যবহার। এতে ব্যাপক শক্তি ক্ষয়ের পাশাপাশি পরিবেশ নানা ধরনের বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছে। ই-বর্জ্য ও অতিমাত্রায় প্রযুক্তির ব্যবহারে ঝুঁকিতে পড়ছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। একটু সতর্কতা অবলম্বন করলে এসব প্রযুক্তিপণ্য ব্যবহারও হয়ে উঠবে পরিবেশবান্ধব।
পুরোনো ডিভাইস পুনরায় ব্যবহার
ইলেকট্রনিক বর্জ্য কমিয়ে আনতে পুরোনো ডিভাইস পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে একটি পুরোনো মোবাইল ফোনকে টিভি রিমোট বা নিরাপত্তা ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহার করা সম্ভব। এ ছাড়া পুরোনো মোবাইল ফোনসেট ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণের কাজেও ব্যবহার করা যায়। এগুলো সংরক্ষণের জন্য নতুন ডিভাইস কেনার দরকার হবে না।
ই-বর্জ্য সঠিকভাবে নিষ্কাশন করা
ইলেকট্রনিক বর্জ্য বা ই-বর্জ্য বলতে পরিত্যক্ত বৈদ্যুতিক বা ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম কিংবা পরিত্যক্ত যন্ত্রপাতি বোঝায়। যেমন পরিত্যক্ত কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, পুরোনো গাড়ির যন্ত্রাংশ, হেয়ার ড্রায়ার, আয়রন, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ইত্যাদি। নিষ্কাশনের আগে ই-বর্জ্য অন্যান্য বর্জ্য থেকে আলাদা করে নিতে হবে। কারণ, এতে অনেক বিষাক্ত পদার্থ ও ধাতু থাকে, যা মানবদেহ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে। যেমন পরিত্যক্ত কম্পিউটারের সিপিইউর মতো কিছু কিছু ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশে সিসা, ক্যাডমিয়াম, বেরিলিয়াম, ক্রোমিয়াম ইত্যাদি ক্ষতিকর পদার্থ থাকতে পারে। এই পদার্থ মানুষের শরীর ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই এগুলো বিশেষভাবে নিষ্কাশন করা জরুরি।
কাগজের বদলে ডিভাইসের ব্যবহার
প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহজে পরিবেশবান্ধব হতে চাইলে কাগজের ব্যবহার কমাতে হবে। এ জন্য কোনো বিষয়ে নোট নেওয়ার ক্ষেত্রে নোটবুকের পরিবর্তে হাতে থাকা স্মার্টফোন ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলোতে লেখা, কোনো তথ্য রেকর্ড করে রাখা, ছবি তুলে ও ভিডিও করে রাখার ব্যবস্থা থাকে।
পরিবেশবান্ধব কুল্যান্টসহ যন্ত্রপাতি
কিছু নির্দিষ্ট এয়ারকন্ডিশনার ও রেফ্রিজারেটরে পরিবেশবান্ধব কুল্যান্ট থাকে। আর৩২ কুল্যান্টসহ এসি এবং আর৬০০এ কুল্যান্টসহ রেফ্রিজারেটর ব্যবহারে বাসা এবং খাদ্য ঠান্ডা থাকার পাশাপাশি পরিবেশও ভালো থাকবে।
এনার্জি রেটিংয়ের প্রতি মনোযোগ
বাসার জন্য ৪ বা ৫ স্টার এনার্জি রেটিংয়ের যন্ত্রপাতি কেনা লাভজনক। এ ধরনের রেটিং পাওয়া ইলেকট্রনিক সামগ্রী ২০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারে। এসি বা ফ্রিজ কেনার সময় এই রেটিং দেখে কিনলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সুবিধা পাওয়া যাবে।
মোবাইল ফোনে পরিবেশবান্ধব কভারের ব্যবহার
বাংলাদেশে ২১ বছরে মোবাইল ফোন থেকে ১০ হাজার ৫০৪ টন বিষাক্ত ইলেকট্রনিক
বর্জ্য উৎপন্ন হয়েছে। তাই এ থেকে আর পরিবেশ নষ্ট করার মতো বর্জ্য তৈরি না করতে প্লাস্টিক ও সিলিকনের কভার ব্যবহার বাদ দিতে হবে। এগুলোতে তৈরি কভার ফেলে দিলে সহজে মাটির সঙ্গে মিশে যায় না।
এ ধরনের কভার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই প্লাস্টিক ও সিলিকনের কভার বাদ দিয়ে পচনশীল পলিমারে তৈরি কভার ব্যবহার
করা যেতে পারে।
সৌর বিকল্পের ব্যবহার
প্রযুক্তি ব্যবহারের আরেকটি পরিবেশবান্ধব উপায় হলো, যখন কিংবা যেখানেই সম্ভব সৌর বিকল্প বেছে নেওয়া। যেমন ব্যাটারিচালিত ফ্ল্যাশ লাইটের পরিবর্তে সৌরচালিত ফ্লাশ লাইট ব্যবহার করলে শক্তির যথেচ্ছ ব্যবহার হবে না। এতে শক্তি সঞ্চয়ের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যবহার হয়ে উঠবে আরও পরিবেশবান্ধব।
প্রতিনিয়ত বাড়ছে প্রযুক্তিসামগ্রীর ব্যবহার। এতে ব্যাপক শক্তি ক্ষয়ের পাশাপাশি পরিবেশ নানা ধরনের বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছে। ই-বর্জ্য ও অতিমাত্রায় প্রযুক্তির ব্যবহারে ঝুঁকিতে পড়ছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। একটু সতর্কতা অবলম্বন করলে এসব প্রযুক্তিপণ্য ব্যবহারও হয়ে উঠবে পরিবেশবান্ধব।
পুরোনো ডিভাইস পুনরায় ব্যবহার
ইলেকট্রনিক বর্জ্য কমিয়ে আনতে পুরোনো ডিভাইস পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে একটি পুরোনো মোবাইল ফোনকে টিভি রিমোট বা নিরাপত্তা ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহার করা সম্ভব। এ ছাড়া পুরোনো মোবাইল ফোনসেট ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণের কাজেও ব্যবহার করা যায়। এগুলো সংরক্ষণের জন্য নতুন ডিভাইস কেনার দরকার হবে না।
ই-বর্জ্য সঠিকভাবে নিষ্কাশন করা
ইলেকট্রনিক বর্জ্য বা ই-বর্জ্য বলতে পরিত্যক্ত বৈদ্যুতিক বা ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম কিংবা পরিত্যক্ত যন্ত্রপাতি বোঝায়। যেমন পরিত্যক্ত কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, পুরোনো গাড়ির যন্ত্রাংশ, হেয়ার ড্রায়ার, আয়রন, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ইত্যাদি। নিষ্কাশনের আগে ই-বর্জ্য অন্যান্য বর্জ্য থেকে আলাদা করে নিতে হবে। কারণ, এতে অনেক বিষাক্ত পদার্থ ও ধাতু থাকে, যা মানবদেহ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে। যেমন পরিত্যক্ত কম্পিউটারের সিপিইউর মতো কিছু কিছু ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশে সিসা, ক্যাডমিয়াম, বেরিলিয়াম, ক্রোমিয়াম ইত্যাদি ক্ষতিকর পদার্থ থাকতে পারে। এই পদার্থ মানুষের শরীর ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই এগুলো বিশেষভাবে নিষ্কাশন করা জরুরি।
কাগজের বদলে ডিভাইসের ব্যবহার
প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহজে পরিবেশবান্ধব হতে চাইলে কাগজের ব্যবহার কমাতে হবে। এ জন্য কোনো বিষয়ে নোট নেওয়ার ক্ষেত্রে নোটবুকের পরিবর্তে হাতে থাকা স্মার্টফোন ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলোতে লেখা, কোনো তথ্য রেকর্ড করে রাখা, ছবি তুলে ও ভিডিও করে রাখার ব্যবস্থা থাকে।
পরিবেশবান্ধব কুল্যান্টসহ যন্ত্রপাতি
কিছু নির্দিষ্ট এয়ারকন্ডিশনার ও রেফ্রিজারেটরে পরিবেশবান্ধব কুল্যান্ট থাকে। আর৩২ কুল্যান্টসহ এসি এবং আর৬০০এ কুল্যান্টসহ রেফ্রিজারেটর ব্যবহারে বাসা এবং খাদ্য ঠান্ডা থাকার পাশাপাশি পরিবেশও ভালো থাকবে।
এনার্জি রেটিংয়ের প্রতি মনোযোগ
বাসার জন্য ৪ বা ৫ স্টার এনার্জি রেটিংয়ের যন্ত্রপাতি কেনা লাভজনক। এ ধরনের রেটিং পাওয়া ইলেকট্রনিক সামগ্রী ২০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারে। এসি বা ফ্রিজ কেনার সময় এই রেটিং দেখে কিনলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সুবিধা পাওয়া যাবে।
মোবাইল ফোনে পরিবেশবান্ধব কভারের ব্যবহার
বাংলাদেশে ২১ বছরে মোবাইল ফোন থেকে ১০ হাজার ৫০৪ টন বিষাক্ত ইলেকট্রনিক
বর্জ্য উৎপন্ন হয়েছে। তাই এ থেকে আর পরিবেশ নষ্ট করার মতো বর্জ্য তৈরি না করতে প্লাস্টিক ও সিলিকনের কভার ব্যবহার বাদ দিতে হবে। এগুলোতে তৈরি কভার ফেলে দিলে সহজে মাটির সঙ্গে মিশে যায় না।
এ ধরনের কভার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই প্লাস্টিক ও সিলিকনের কভার বাদ দিয়ে পচনশীল পলিমারে তৈরি কভার ব্যবহার
করা যেতে পারে।
সৌর বিকল্পের ব্যবহার
প্রযুক্তি ব্যবহারের আরেকটি পরিবেশবান্ধব উপায় হলো, যখন কিংবা যেখানেই সম্ভব সৌর বিকল্প বেছে নেওয়া। যেমন ব্যাটারিচালিত ফ্ল্যাশ লাইটের পরিবর্তে সৌরচালিত ফ্লাশ লাইট ব্যবহার করলে শক্তির যথেচ্ছ ব্যবহার হবে না। এতে শক্তি সঞ্চয়ের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যবহার হয়ে উঠবে আরও পরিবেশবান্ধব।
জিবলি আর্টের উন্মাদনায় কাঁপছে বিশ্ব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢুকলেই দেখা যায়, প্রায় অধিকাংশ নেটাগরিক তাঁদের প্রিয় মুহূর্তের ধারণ করা ছবিগুলোকে স্টুডিও জিবলি আর্টের ধরনে অ্যানিমেশন করছেন। কেউ প্রোফাইল পিকচারে দিচ্ছেন, কেউ বা অনেক পুরোনো স্মৃতিও ফিরিয়ে আনছেন জিবলি আর্টে রূপান্তর করার মাধ্যমে।
২ দিন আগেএক্সএআই এবং এক্স ব্যক্তিগত মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তির কিছু নির্দিষ্ট তথ্য এখনো স্পষ্ট নয়, যেমন: বিনিয়োগকারীরা এই শেয়ার স্থানান্তর অনুমোদন করেছে কিনা বা বিনিয়োগকারীদের কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে ইত্যাদি বিষয় অস্পষ্ট।
৬ দিন আগেফেসবুক স্টোরি একধরনের সাময়িক পোস্ট। এই ধরনের পোস্ট ২৪ ঘণ্টা ধরে দেখা যায় এবং পরে অদৃশ্য হয়ে যায়। তবে এগুলো একেবারেই ফেসবুক থেকে হারিয়ে যায় না। এগুলো আর্কাইভ নামের এক ফোল্ডারে থাকে। এই ফোল্ডারে সব স্টোরি একই সঙ্গে পাওয়া যায়।
৬ দিন আগেগুগল তাদের সার্চ, ম্যাপস এবং জেমিনিতে বেশ কিছু নতুন ফিচার চালু করছে। ব্যবহারকারীর ছুটির পরিকল্পনা করতে এগুলো সাহায্য করবে। এসব নতুন ফিচার অনেকটাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে তৈরি। ব্যবহারকারীরা আগে যেমন ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি থেকে ছুটির পরিকল্পনা তৈরি করতে অভ্যস্ত ছিলেন, তেমনি গুগলের টুলগুলো
৭ দিন আগে