কথা বলি কেন? না, বড় বড় তাত্ত্বিক বা পণ্ডিতি ব্যাখ্যায় যাচ্ছি না। আমি কথা বলি, কারণ কথা না বলে আমার চলে না। এই যাপিত জীবনে আমার বলার নানান বিষয় আছে, আবার জানারও নানান বিষয় আছে। অতএব, কথা আমাকে বলতেই হয়।
দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে একধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নির্বাচন ইস্যুতে ঐকমত্যের অভাব রয়েছে। মহান স্বাধীনতা দিবস ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন...
বাংলা ভাষায় অতিপরিচিত একটি শব্দবন্ধ হলো ‘কলকে পাওয়া’। যাপিত জীবনে কমবেশি আমরা সবাই বাগধারা হিসেবে শব্দবন্ধটির প্রয়োগ করে থাকি। বাংলা অভিধানে কলকে শব্দের একাধিক অর্থ রয়েছে।
চীনের অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা পাওয়া গেলে তিস্তা নদীর ড্রেজিং, নদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব। চীনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে বাংলাদেশের কৃষি, জ্বালানি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
ঢাকার ঈদ উৎসব কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বহু শতাব্দীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক রীতিনীতির এক বর্ণিল প্রতিচ্ছবি। মুঘল আমল থেকে শুরু করে আধুনিক সময় পর্যন্ত এই উৎসবের রূপ ও রীতিতে অনেক পরিবর্তন এলেও এর মূল চেতনা আজও বহমান।
ই-মেইল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রামের যুগেও পাঠক সংবাদপত্রে চিঠি লেখেন—এটাই প্রমাণ করে, মুদ্রিত শব্দের আবেদন এখনো ফুরিয়ে যায়নি। দ্রুত বদলে যাওয়া যোগাযোগের মাধ্যমের ভিড়েও কিছু কথা থাকে, যা কাগজে ছাপা হয়ে আলো ছড়ায়।
অপারেশন সার্চলাইটের নৃশংসতায় তখন আকাশে উড়ছে শকুন। রাজপথে চিৎকার করছে কুকুর। আকাশে ‘কা কা’ করে কর্কশ কণ্ঠে ডেকে কাকেরা বুঝিয়ে দিচ্ছে, সোনার বাংলাকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছে পাকিস্তানি হানাদারেরা।
সংগীত যাঁর ধ্যান, সাহিত্য যাঁর প্রাণ, আর দেশপ্রেম যাঁর জীবনদর্শন—তিনি সন্জীদা খাতুন। তাঁর নাম উচ্চারণ করলেই একধরনের আলো ছড়িয়ে পড়ে, যেটি জাতিসত্তা, চেতনাবোধ আর মননের প্রসারের আলো। তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত সুর, তাঁর জীবনচর্চা, তাঁর মনন ও প্রজ্ঞা—সব মিলিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন এক অনন্য সাংস্কৃতিক চরিত্র।
কয়েক দিন ধরেই সেনাবাহিনী নিয়ে গণমাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে। নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ও আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) নামক অপর একটি দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান...
এখনই রাজনীতির মাঠের উত্তাপ বাড়াটা স্বাভাবিক ঘটনা। সম্ভাব্য নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতা যত বাড়তে থাকবে এবং রাজনীতির মাঠের উত্তাপ ততই বেশি করে অনুভূত হতে থাকবে। এখন সেটাই দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচনের সময়সূচি...
আমরা সবাই পাপী; আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি—কাজী নজরুল ইসলামের এই পঙ্ক্তিটি আমাদের সমাজের চিরন্তন বাস্তবতার নগ্ন প্রতিচিত্র। সময়ের পরিক্রমায় সভ্যতার অগ্রগতি হয়েছে, মানুষ বিজ্ঞানের চূড়ান্ত উৎকর্ষে পৌঁছেছে...
একটা ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ দিয়ে শুরু করি। আমরা অনেক ভাই-বোন ছিলাম, সব মিলিয়ে আটজন। আব্বা সরকারি চাকরি করতেন। তাঁর স্বল্প বেতনে আমাদের চলতে হিমশিম খেতে হতো। আম্মা খুব হিসাব করে সংসার চালাতেন। প্রতিদিনের বাজার করার দায়িত্ব আমাদের ভাইদের ওপর পড়ত। সপ্তাহে দু-তিন দিন আমাকে বাজার করতে হতো।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিনিময়েই আমাদের দেশের স্বাধীনতা অর্জন। এমন সত্যকে অস্বীকার করবার, মুছে দেওয়ার কোনো রকম দুঃসাহস অন্তত বাংলাদেশে বসবাসকারী বাঙালির থাকার কথা নয়। থাকবে সেটা চিন্তাও করা যায় না। অন্তত যাঁরা বাংলাদেশি ও বাঙালি এবং যাঁরা মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানেন, যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেছেন;
‘জীবন যখন শুকায়ে যায় করুণাধারায় এসো’—রবি ঠাকুরের হৃদয়ছোঁয়া প্রার্থনা। বসন্তে যেমন চারদিকে ফুলের সমারোহ, তেমনি এই সময়ে খরার দাপটও প্রচণ্ড থাকে। আশপাশে যেদিকেই তাকাবেন, দেখবেন জলশূন্যতার প্রকট ছাপ আপনাকে বিঁধবে। নিজেদেরও ভেতরটা শুকিয়ে যায়, গলা শুকিয়ে যায়; পশুপাখিসহ অন্য প্রাণীরাও এই সময়টাতে জলশূন্যতায়
দীর্ঘদিন যাবৎ উদ্যাপিত পয়লা বৈশাখ নিয়ে এবারে বেশ অনিশ্চয়তা দেখা গিয়েছিল—আদৌ পয়লা বৈশাখ উদ্যাপন করা যাবে কি না। শেষ পর্যন্ত সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলী দুদিন ধরে উদ্যাপনের একটি ঘোষণা দিয়েছেন। সেখানে মঙ্গল শোভাযাত্রার ‘মঙ্গল’ শব্দটির ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন ছিল। দ্বিতীয় শোভাযাত্রা অন্য একটা চেহারা পাবে।
তারিখটা ছিল ১৭ মার্চ। রমজানের ১৮তম দিনে সেহরি করছিলেন ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা। হঠাৎ তাঁদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী বোমা হামলা চালানো শুরু করে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণ হারায় ৪০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয় শতাধিক। এর পর থেকে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। প্রতিদিনই ঘটছে হতাহতের
আমাদের দৈনন্দিন আলাপচারিতায় আমরা প্রায়ই ‘কথার ফুলঝুরি’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকি। প্রসঙ্গভেদে আলাপ-আলোচনা বা কথাবার্তায় আমরা কথার তুবড়ি ছোটাই। ক্ষেত্রবিশেষে কথা প্রসঙ্গে বলি, ‘তুমি তো কথার ফুলঝুরি নিয়ে বসেছ, কোনো কাজেকর্মে নেই!’ আবার রাজনীতির মাঠে দিব্যি সাধারণ মানুষকে নাচিয়ে যেতে পারেন ‘কথার ফুলঝুরি’