
শীত কখন চলে যায়—এখন আর টেরই পাওয়া যায় না; কিন্তু ফুলগুলো বলে দেয়, ‘আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে।’ হ্যাঁ, বসন্ত এসে গেছে। আগুন লেগেছে বৃক্ষসমাজে। অশোক-পলাশ-শিমুলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এরই মধ্যে কি শোনা যাচ্ছে কুহুতান?

১৯৪৭ সাল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রহর শেষে ইংরেজদের শৃঙ্খলমুক্ত হয়ে নতুন সূর্যোদয় হয়েছিল ভারতীয় উপমহাদেশে। দ্বিজাতিতত্ত্বের খড়ির দাগে সৃষ্টি হয়েছিল ভারত আর পাকিস্তান। সবার দুয়ারে নতুন সূর্যের কিরণ দ্যুতি ছড়ালেও এই তত্ত্বের গোলকধাঁধায় অদৃশ্য এক কালো ছায়ায় নতুন আলোর বিচ্ছুরণ দেখার সুযোগ হয়নি পূর্ব পাকিস্তা

বসন্ত এসে গেছে! শাহবাগ মোড় থেকে শুরু করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ, সবখানে হলুদ আর বাসন্তী রঙের ছড়াছড়ি। আজ বসন্তের প্রথম দিন। কিন্তু গতকাল সোমবার থেকেই বইমেলায় আসা পাঠক-দর্শনার্থীদের মধ্যে ছিল বসন্তের ছোঁয়া।

তুমুল কথা-কাটাকাটি চলছে। কলেজের ইউনিফর্ম পরা ছেলেটি বলছে, ‘কয়দিন আগেই ১০ টাকায় বেচলেন মামা! রোজ ডেতে নিলেন ৭০ টাকা! আইজ আবার বুইলছেন ১০০! এড্যা কোনো কথা হলো মামা...