হাবিবুর রনি, বাকৃবি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অত্যাধুনিক গ্রিনহাউস প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এই গ্রিনহাউস নির্মাণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট গবেষকদের আশা, এই গ্রিনহাউসে বিরূপ আবহাওয়া-সহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হবে।
বাকৃবির অ্যাগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের সদ্য সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এ বি এম আরিফ হাসান খান রবিনের নেতৃত্বে অত্যাধুনিক গ্রিনহাউস তৈরি করা হয়েছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য প্রাকৃতিক বিরূপ প্রভাবসহিষ্ণু ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন করা। গত বছর শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় এরই মধ্যে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবনে গবেষণাকাজ শুরু করেছেন।
আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির যত লাভজনক, সময় উপযোগী ও কৃষি উপযোগী প্রজেক্ট আছে, এগুলোর মধ্যে গ্রিনহাউস বা পলি হাউস বা পলি টানেল প্রযুক্তিগুলো সারা বিশ্বে বেশ জনপ্রিয়। এটি হচ্ছে মূলত একটি ঘর, যেখানে প্রাকৃতিক বিভিন্ন উপাদান যেমন তাপ, তাপমাত্রা, আলোর দৈর্ঘ্য, পানি, লবণাক্ততা, আর্দ্রতা ইত্যাদির মাত্রা নিয়ন্ত্রিত রেখে বিভিন্ন ফসলের ওপর এর প্রভাব বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করা হয়। ফলে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন অব্যাহত রাখা যায়।
গবেষণার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত বাকৃবির গ্রিনহাউসে রয়েছে আটটি সাধারণ চেম্বার, একটি কোল্ড চেম্বার ও একটি হিট চেম্বার। গবেষণার জন্য সব চেম্বারে রোপণ করা প্রতিটি চারার পানির পরিমাণ, বিভিন্ন সারের পরিমাণ, পানি ও সার প্রয়োগের সঠিক সময় একটি কেন্দ্রীয় প্রোগ্রামিং রুমের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কাজটি করা হয় তুরস্ক থেকে নিয়ে আসা সেন্সর নির্ভর এনআরআই ক্রপ টেকনোলজি মেশিনের মাধ্যমে।
প্রতিটি চারার জন্য যেহেতু পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ সমান নয়, তাই সেন্সরনির্ভর এনআরআই ক্রপ টেকনোলজি মেশিনের মাধ্যমে প্রতিটি চারার জন্য পরিমিত পরিমাণ পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়া মেশিনের মাধ্যমে বাহ্যিকভাবে, রোপণ করা চারায় পতিত আলো, আলোক তরঙ্গের দৈর্ঘ্য, তাপমাত্রা, চারার পানিসহিষ্ণুতা, লবণাক্ততা ইত্যাদি পরিবর্তন করে সৃষ্ট পরিবেশসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনে গবেষণা করা হচ্ছে।
স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী তানজিম আহমেদ কাজ করছেন জলবায়ুসহিষ্ণু ভুট্টার জাত উদ্ভাবন নিয়ে। তিনি দুটি আলাদা চেম্বারে ভুট্টার একই জাত নিয়ে গবেষণা করছেন। একটি চেম্বারে স্বাভাবিক তাপমাত্রা এবং অন্যটিতে অতিরিক্ত তাপমাত্রা দিয়েছেন। এই অতিরিক্ত তাপমাত্রার জন্য ভুট্টাগাছের ভেতরে কী কী পরিবর্তন আসে এবং এই পরিবর্তন কীভাবে প্রশমিত করা যায়, সেগুলো নিয়েই তিনি কাজ করছেন। গবেষণাটি সফল হলে যেসব অঞ্চলে অতিরিক্ত তাপমাত্রা, সেসব অঞ্চলেও তাপমাত্রাসহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত চাষ করা যাবে।
স্নাতকোত্তর আরেকজন শিক্ষার্থী জাবের সবুজ। তিনি কাজ করছেন লবণাক্ততা ও উচ্চ তাপমাত্রাসহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবন নিয়ে। এই ধানের জাত দিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ১৯টি জেলায় লবণাক্ততার মধ্যেও ধানের চাষ অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।
শীতকালীন সবজি টমেটো যেন গ্রীষ্মকালেও উৎপাদন করা যায়, সে লক্ষ্যে কাজ করছেন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী সিরাজুম মনিরা। তিনি টমেটোর হিট স্ট্রেস ও বেশি তাপমাত্রাসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছেন। গ্রিনহাউজের মধ্যে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে তার ভিত্তিতে টমেটোগাছের শারীরতাত্ত্বিক পরিবর্তন লক্ষ করে ওই জাত উদ্ভাবন করা হবে। ফলে গ্রীষ্মকালেও টমেটো উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশে বোরো মৌসুমে জলাবদ্ধ পদ্ধতিতে ধান চাষে উৎপাদন ভালো হয়। কিন্তু এই পদ্ধতির চাষে একটি বড় সমস্যা হচ্ছে, এটি বেশি পরিমাণে মিথেন গ্যাস নিঃসরণ করে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার কাজ করছেন জলাবদ্ধ পদ্ধতিতে চাষ করা ধানগাছের ফলন ঠিক রেখে মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ কম করে, এমন ধানের জাত উদ্ভাবন নিয়ে।
গবেষক রবিন জানান, ‘আমরা একটি অত্যাধুনিক গ্রিনহাউস প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি। এটির মাধ্যমে উচ্চতর গবেষণার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। এই গ্রিনহাউসে টমেটো, ভুট্টা, ধানসহ বিভিন্ন ফসলের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, অতিরিক্ত পানিসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন করার জন্য গবেষণা চলমান রয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরা জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবসহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন করতে পারবেন বলে আশা করছি। ফলে দেশের খাদ্যঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতে এই গ্রিনহাউসের মধ্যে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন ফসল ও শাকসবজি উৎপাদন করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে করে কীটনাশকমুক্ত বিশুদ্ধ সবজি উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অত্যাধুনিক গ্রিনহাউস প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এই গ্রিনহাউস নির্মাণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট গবেষকদের আশা, এই গ্রিনহাউসে বিরূপ আবহাওয়া-সহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হবে।
বাকৃবির অ্যাগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের সদ্য সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এ বি এম আরিফ হাসান খান রবিনের নেতৃত্বে অত্যাধুনিক গ্রিনহাউস তৈরি করা হয়েছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য প্রাকৃতিক বিরূপ প্রভাবসহিষ্ণু ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন করা। গত বছর শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় এরই মধ্যে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবনে গবেষণাকাজ শুরু করেছেন।
আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির যত লাভজনক, সময় উপযোগী ও কৃষি উপযোগী প্রজেক্ট আছে, এগুলোর মধ্যে গ্রিনহাউস বা পলি হাউস বা পলি টানেল প্রযুক্তিগুলো সারা বিশ্বে বেশ জনপ্রিয়। এটি হচ্ছে মূলত একটি ঘর, যেখানে প্রাকৃতিক বিভিন্ন উপাদান যেমন তাপ, তাপমাত্রা, আলোর দৈর্ঘ্য, পানি, লবণাক্ততা, আর্দ্রতা ইত্যাদির মাত্রা নিয়ন্ত্রিত রেখে বিভিন্ন ফসলের ওপর এর প্রভাব বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করা হয়। ফলে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন অব্যাহত রাখা যায়।
গবেষণার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত বাকৃবির গ্রিনহাউসে রয়েছে আটটি সাধারণ চেম্বার, একটি কোল্ড চেম্বার ও একটি হিট চেম্বার। গবেষণার জন্য সব চেম্বারে রোপণ করা প্রতিটি চারার পানির পরিমাণ, বিভিন্ন সারের পরিমাণ, পানি ও সার প্রয়োগের সঠিক সময় একটি কেন্দ্রীয় প্রোগ্রামিং রুমের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কাজটি করা হয় তুরস্ক থেকে নিয়ে আসা সেন্সর নির্ভর এনআরআই ক্রপ টেকনোলজি মেশিনের মাধ্যমে।
প্রতিটি চারার জন্য যেহেতু পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ সমান নয়, তাই সেন্সরনির্ভর এনআরআই ক্রপ টেকনোলজি মেশিনের মাধ্যমে প্রতিটি চারার জন্য পরিমিত পরিমাণ পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়া মেশিনের মাধ্যমে বাহ্যিকভাবে, রোপণ করা চারায় পতিত আলো, আলোক তরঙ্গের দৈর্ঘ্য, তাপমাত্রা, চারার পানিসহিষ্ণুতা, লবণাক্ততা ইত্যাদি পরিবর্তন করে সৃষ্ট পরিবেশসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনে গবেষণা করা হচ্ছে।
স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী তানজিম আহমেদ কাজ করছেন জলবায়ুসহিষ্ণু ভুট্টার জাত উদ্ভাবন নিয়ে। তিনি দুটি আলাদা চেম্বারে ভুট্টার একই জাত নিয়ে গবেষণা করছেন। একটি চেম্বারে স্বাভাবিক তাপমাত্রা এবং অন্যটিতে অতিরিক্ত তাপমাত্রা দিয়েছেন। এই অতিরিক্ত তাপমাত্রার জন্য ভুট্টাগাছের ভেতরে কী কী পরিবর্তন আসে এবং এই পরিবর্তন কীভাবে প্রশমিত করা যায়, সেগুলো নিয়েই তিনি কাজ করছেন। গবেষণাটি সফল হলে যেসব অঞ্চলে অতিরিক্ত তাপমাত্রা, সেসব অঞ্চলেও তাপমাত্রাসহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত চাষ করা যাবে।
স্নাতকোত্তর আরেকজন শিক্ষার্থী জাবের সবুজ। তিনি কাজ করছেন লবণাক্ততা ও উচ্চ তাপমাত্রাসহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবন নিয়ে। এই ধানের জাত দিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ১৯টি জেলায় লবণাক্ততার মধ্যেও ধানের চাষ অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।
শীতকালীন সবজি টমেটো যেন গ্রীষ্মকালেও উৎপাদন করা যায়, সে লক্ষ্যে কাজ করছেন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী সিরাজুম মনিরা। তিনি টমেটোর হিট স্ট্রেস ও বেশি তাপমাত্রাসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছেন। গ্রিনহাউজের মধ্যে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে তার ভিত্তিতে টমেটোগাছের শারীরতাত্ত্বিক পরিবর্তন লক্ষ করে ওই জাত উদ্ভাবন করা হবে। ফলে গ্রীষ্মকালেও টমেটো উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশে বোরো মৌসুমে জলাবদ্ধ পদ্ধতিতে ধান চাষে উৎপাদন ভালো হয়। কিন্তু এই পদ্ধতির চাষে একটি বড় সমস্যা হচ্ছে, এটি বেশি পরিমাণে মিথেন গ্যাস নিঃসরণ করে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার কাজ করছেন জলাবদ্ধ পদ্ধতিতে চাষ করা ধানগাছের ফলন ঠিক রেখে মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ কম করে, এমন ধানের জাত উদ্ভাবন নিয়ে।
গবেষক রবিন জানান, ‘আমরা একটি অত্যাধুনিক গ্রিনহাউস প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি। এটির মাধ্যমে উচ্চতর গবেষণার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। এই গ্রিনহাউসে টমেটো, ভুট্টা, ধানসহ বিভিন্ন ফসলের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, অতিরিক্ত পানিসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন করার জন্য গবেষণা চলমান রয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরা জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবসহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন করতে পারবেন বলে আশা করছি। ফলে দেশের খাদ্যঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতে এই গ্রিনহাউসের মধ্যে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন ফসল ও শাকসবজি উৎপাদন করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে করে কীটনাশকমুক্ত বিশুদ্ধ সবজি উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতঘেঁষা মার্কেটটি একসময় টাইলস মার্কেট নামে পরিচিত ছিল। নিচতলায় রয়েছে ৪০-৫০টি দোকান। অনেক আগেই এই মার্কেটকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে কুয়াকাটা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই চলছে কার্যক্রম। শুধু তা-ই নয়, সৈকত দখল করে মার্কেটটি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে...
২২ মিনিট আগেমৌলভীবাজারে মনু ও ধলাই নদীর ১৬টি প্রতিরক্ষা বাঁধসহ অন্যান্য ছোট নদীর অসংখ্য বাঁধ ভেঙে গত বছর জেলায় চার দফা বন্যা হয়েছে। বন্যায় ফসল ও ঘরবাড়ি হারিয়েছে হাজারো মানুষ। পানিবন্দী হয়ে পড়ে প্রায় চার লাখ মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৬০০ কোটি টাকার অধিক। এত কিছুর পরও জেলার অন্যতম প্রধান দুই নদীর প্রতিরক্ষা...
৩০ মিনিট আগেপার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বৈসাবি ঘিরে পাহাড়ে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খাগড়াছড়ি শহরের নারানখাইয়া এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের মাঠে ফিতা কেটে চার দিনব্যাপী উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান...
৪১ মিনিট আগেচলছে চৈত্রের দাবদাহ। বাজারে কদর বেড়েছে রসাল ফল আনারসের। বিশেষ করে কদর বেড়েছে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পাহাড়ে উৎপাদিত আনারসের। কিন্তু আগেভাগে বাজারজাত করা এবং বেশি মুনাফার আশায় আনারসে মাত্রাতিরিক্ত ইথোফেন হরমোন প্রয়োগ করছেন চাষিরা। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে কৃষিবিদদের দাবি, পরিপক্ব ফল...
১ ঘণ্টা আগে