ক্রীড়া ডেস্ক
চেন্নাই টেস্টে দুর্দান্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ভালো। ১৪৪ রানেই ৬ উইকেট নিয়েছিলেন বোলাররা। তারপর রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজার অসাধারণ জুটি। সেখান থেকেই যেন আর ছন্দে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ দল।
আজ চতুর্থ দিন ২৮০ রান হেরেই গেছেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। হারলেও এই ম্যাচ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিক্ষাও অর্জনের কথা বললেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘অবশ্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিক্ষা পেয়েছি আমরা। বিশেষ করে প্রথম ইনিংসে টপ অর্ডারের ব্যাটিংয়ের দিকে আমাদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের টপ অর্ডার থেকে কিছু রান করতে হবে। এখানে একটি শিক্ষার কথা আপনাকে বলতে পারি। সব ব্যাটারের মাঝে বিশ্বাস রয়েছে তারা সামনে কামব্যাক করতে পারবে। দেখা যাক।’
ব্যাট হাতে ভালো ছন্দ নেই শান্ত। দল হারলেও দ্বিতীয় ইনিংসে কিছু সময় লড়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ১২৭ বলে খেলেছেন ৮২ রানের ইনিংস। কানপুর টেস্টের আগে ধুঁকতে থাকা টপ অর্ডার দেখাচ্ছে আশা। ওপেনিং জুটিতে সাদমান ইসলাম ও জাকির হাসান দ্বিতীয় ইনিংস যোগ করেন ৬২ রান।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের ইনিংস ও টপ অর্ডার প্রসঙ্গে শান্ত বললেন, ‘অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যই। উইকেটে কিছুটা সময় কাটানোটা জরুরি ব্যাপার ছিল আমার জন্য। আমি নিজের কাজে পরিষ্কার ছিলাম। তবে এটি যথেষ্ট নয়। আশা করছি এটি দ্বিতীয় টেস্টে কাজে দেবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে (দ্বিতীয় ইনিংসে) টপ অর্ডারে ওপেনাররা ৬২ রান করেছে জুটিতে। দ্বিতীয় ম্যাচে এটিও কাজে দিতে পারে।’
উইকেট হারালেও শান্ত রান তুলেছেন একটু দ্রুতই। ৮ চারের সঙ্গে মেরেছেন ৩টি ছক্কা। ভারতের অভিজ্ঞ স্পিন আক্রমণের সামনে সাবলীল ব্যাটিংয়ের ব্যাপারে বললেন, ‘আসলে আমি চেষ্টা করেছি। যেভাবে ব্যাট করেছি সাধারণত এভাবেই ব্যাট করে থাকি, এ রকম কন্ডিশন বা কোয়ালিটি স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে। নিজের কাছে পরিষ্কার ছিলাম। আমার মনে হয় সবার আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করি পরের ম্যাচে তারা ভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে আসবে।’
চেন্নাই টেস্টে দুর্দান্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ভালো। ১৪৪ রানেই ৬ উইকেট নিয়েছিলেন বোলাররা। তারপর রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজার অসাধারণ জুটি। সেখান থেকেই যেন আর ছন্দে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ দল।
আজ চতুর্থ দিন ২৮০ রান হেরেই গেছেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। হারলেও এই ম্যাচ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিক্ষাও অর্জনের কথা বললেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘অবশ্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিক্ষা পেয়েছি আমরা। বিশেষ করে প্রথম ইনিংসে টপ অর্ডারের ব্যাটিংয়ের দিকে আমাদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের টপ অর্ডার থেকে কিছু রান করতে হবে। এখানে একটি শিক্ষার কথা আপনাকে বলতে পারি। সব ব্যাটারের মাঝে বিশ্বাস রয়েছে তারা সামনে কামব্যাক করতে পারবে। দেখা যাক।’
ব্যাট হাতে ভালো ছন্দ নেই শান্ত। দল হারলেও দ্বিতীয় ইনিংসে কিছু সময় লড়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ১২৭ বলে খেলেছেন ৮২ রানের ইনিংস। কানপুর টেস্টের আগে ধুঁকতে থাকা টপ অর্ডার দেখাচ্ছে আশা। ওপেনিং জুটিতে সাদমান ইসলাম ও জাকির হাসান দ্বিতীয় ইনিংস যোগ করেন ৬২ রান।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের ইনিংস ও টপ অর্ডার প্রসঙ্গে শান্ত বললেন, ‘অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যই। উইকেটে কিছুটা সময় কাটানোটা জরুরি ব্যাপার ছিল আমার জন্য। আমি নিজের কাজে পরিষ্কার ছিলাম। তবে এটি যথেষ্ট নয়। আশা করছি এটি দ্বিতীয় টেস্টে কাজে দেবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে (দ্বিতীয় ইনিংসে) টপ অর্ডারে ওপেনাররা ৬২ রান করেছে জুটিতে। দ্বিতীয় ম্যাচে এটিও কাজে দিতে পারে।’
উইকেট হারালেও শান্ত রান তুলেছেন একটু দ্রুতই। ৮ চারের সঙ্গে মেরেছেন ৩টি ছক্কা। ভারতের অভিজ্ঞ স্পিন আক্রমণের সামনে সাবলীল ব্যাটিংয়ের ব্যাপারে বললেন, ‘আসলে আমি চেষ্টা করেছি। যেভাবে ব্যাট করেছি সাধারণত এভাবেই ব্যাট করে থাকি, এ রকম কন্ডিশন বা কোয়ালিটি স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে। নিজের কাছে পরিষ্কার ছিলাম। আমার মনে হয় সবার আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করি পরের ম্যাচে তারা ভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে আসবে।’
বলতে গেলে সান্তোসে এক পা দিয়েই রেখেছেন নেইমার। গত কদিন ধরে নেইমারের সান্তোসে ফেরা নিয়ে চর্চা হচ্ছে বেশি। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নিজেও সেটা স্বীকার করেছেন। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটাই তো বাকি।
১১ মিনিট আগেইশ, যদি ১২ জানুয়ারির আগে ছন্দে থাকতেন শরীফুল ইসলাম, তাহলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির টিকিটটা হয়তো পেয়ে যেতেন! তবে এসব ‘যদি-কিন্তু’র হিসেব নিয়ে ভাবছেন না তিনি। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ১৫ সদস্যের দলে সুযোগ না পাওয়া নিয়ে কোনো আফসোস নেই বাংলাদেশের এই বাঁহাতি পেসারের।
১ ঘণ্টা আগে‘ক্যাপ্টেনস ইভেন্ট’ নামে একটি অনুষ্ঠান গত কয়েক বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) করে আসছে বৈশ্বিক ইভেন্টের আগে। অধিনায়কদের মিলনমেলাও বলা যায় এই অনুষ্ঠানকে। তবে এবার চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আইসিসির এই রীতিটা মানতে পারছে না পাকিস্তান।
১ ঘণ্টা আগেবিপিএলে পারিশ্রমিক ইস্যু এমন জায়গায় এসে পৌঁছেছে যে রাজশাহী দলের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) নাকি নিজের বসতবাড়ি বিক্রি করে ক্রিকেটারদের পাওনা মেটানোর পরিকল্পনা করতে হচ্ছে! হোটেলে বিল বকেয়া রাখায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির কর্ণধারকে হোটেলে নজরদারিতে রাখা, খেলোয়াড়দের চেক বারবার বাউন্স করার মতো ঘটনা ঘটেছে।
২ ঘণ্টা আগে