নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
রাজধানীর ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার শপিং কমপ্লেক্সে দিনদুপুরে স্বর্ণালংকারের দোকানে লুটের ঘটনা ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা প্রায় ১৫৯ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে।
দোকান কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গতকাল শুক্রবার রাতে প্রকাশ করলেও যাচাইয়ের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো হয় আজ শনিবার। জুমার নামাজের সময় এ লুটের ঘটনা ঘটে। কাছাকাছি থাকা অন্য দোকানগুলো খোলা থাকলেও কেউ বিষয়টি টের পায়নি বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ধানমন্ডি থানায় চুটির মামলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার বেলা ১টার দিকে জিগাতলা এলাকায় বিজিবির সীমান্ত সম্ভার শপিং কমপ্লেক্সের ‘ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্স’ নামের দোকানে এ লুট হয়। দোকানটি বিপণিবিতানের নতুন ভবনের নিচতলায়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জিসানুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চোর চক্রকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। শিগগিরই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। ইতিমধ্যে লুটর সঙ্গে জড়িত বলে কয়েকজনকে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পারলে রহস্য উদ্ঘাটন হবে।’
আজ দুপুরে সীমান্ত সম্ভারে গিয়ে দেখা যায়, ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্স খোলা। তবে শোকেসে তেমন স্বর্ণালংকার নেই। দোকানের মালিক কাজী আকাশ দোকানেই বসে ছিলেন। তিনজন কর্মচারীও তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
ঘটনার বিষয়ে কাজী আকাশ বলেন, তিন কর্মচারীর মধ্যে হাসিব শেখ নামে একজনের কাছে শোরুমের চাবি থাকে। তিনি অন্য দুই কর্মচারী আরিফুজ্জামান ও আবদুর রহিমকে নিয়ে প্রতিদিনের মতো শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে দোকান খোলেন। ১টার দিকে দোকানের বাঁ দিকের শাটার নামিয়ে এবং ডান পাশের শাটারে তালা দিয়ে তিনজন জুমার নামাজ পড়তে পাশের মসজিদে যান। বেলা দেড়টার দিকে আবদুর রহিম প্রথমে নামাজ থেকে ফিরে এসে দেখেন ডান পাশের শাটারের একটি তালা কাটা। এরপর রহিম ও মালিক আকাশের বন্ধু রায়হান ভেতরে ঢুকে দেখেন, শোরুমের অলংকারগুলো ছড়ানো-ছিটানো।
ব্যবসায়ী কাজী আকাশ বলেন, বাঁ দিকের শাটারটি ঠিক শোকেসের সামনে হওয়ায় সেটিতে তালা দিতে হয় না। কারণ সেটি খুলে দোকানে ঢোকা যায় না। তাই শুধু ডান পাশের শাটারে তালা দেন তাঁরা।
যেভাবে লুট হয়েছে
শপিং কমপ্লেক্স ও শোরুমটির সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, চোরদের দলে ৮-৯ জন ছিল। জুমার নামাজের আগেই তারা মার্কেটে প্রবেশ করে। আকাশের দোকানের কর্মচারীরা তালা দিয়ে নামাজে যাওয়ার সময় পাশের কয়েকটি দোকান খোলা ছিল। চোর চক্রের সদস্যরা ওই দোকানগুলোর কর্মচারীদের পণ্য দেখার কথা বলে ব্যস্ত রাখেন। দৃশ্যত এ কারণে তাঁরা কেউ অন্যদিকে খেয়াল করতে পারেননি। এই ফাঁকে চক্রের দুজন দোকানের ডান পাশের শাটারের সামনে একটি চাদর মেলে ধরেন। একজন চাদরের সামনে দাঁড়ান। অন্য একজন চাদরের আড়ালে থেকে তালা কাটেন। তালা কাটার পর তিনি ভেতরে ঢুকে লুট করে বের হয়ে যান।
যা যা খোয়া গেছে
মামলায় দাবি করা হয়েছে, দোকান থেকে মোট ১৫৯ ভরি স্বর্ণ খোয়া গেছে। এর মধ্যে স্বর্ণের চেইন ৬৪ পিস, আংটি ৬৬ পিস, ব্রেসলেট ১৬ পিস, লকেট ১৯ পিস, কানের দুল ৬৫ জোড়া, গলার হার ৭ পিস, স্বর্ণের নূপুর এক জোড়া এবং হিরার হার ৫ পিস। কাজী আকাশ বলেছেন, লুট হওয়া অলংকারের বাজারমূল্য আড়াই কোটি টাকা।
সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত বিপণিবিতানটিতে মাত্র আট মাস আগে অলংকারের দোকানটি চালু করেন কাজী আকাশ। নিউমার্কেট ও উত্তরায়ও তাঁর স্বর্ণালংকারের শোরুম রয়েছে। মার্কেট কর্তৃপক্ষ ও মালিক আকাশ উভয়েই বলেছেন, মাস চারেক আগে এই শোরুমে তাঁদের পারিবারিক দ্বন্দ্বের একটি ঘটনা ঘটেছিল। তবে সেটির সঙ্গে এই লুটের ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই বলেই দাবি করেছেন আকাশ।
মার্কেটের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আউটসোর্সিং করে বিজিবির কল্যাণ ট্রাস্ট। মার্কেটের সার্বিক নিরাপত্তার তত্ত্বাবধায়ক বিজিবির সাবেক সুবেদার এস এম হজরত আলী। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই আকস্মিকভাবে ঘটেছে। ঘটনার পর মার্কেটের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পুলিশের তদন্তে আমরা সহায়তা করছি।’
এদিকে গত ২৮ ডিসেম্বর আদাবরের এক বাসায় লুটের সঙ্গে জড়িত মাহিন ও রেহান নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে ৩২ ভরি স্বর্ণ, ১২ ভরি রুপা এবং নগদ ৮৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজধানীর ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার শপিং কমপ্লেক্সে দিনদুপুরে স্বর্ণালংকারের দোকানে লুটের ঘটনা ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা প্রায় ১৫৯ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে।
দোকান কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গতকাল শুক্রবার রাতে প্রকাশ করলেও যাচাইয়ের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো হয় আজ শনিবার। জুমার নামাজের সময় এ লুটের ঘটনা ঘটে। কাছাকাছি থাকা অন্য দোকানগুলো খোলা থাকলেও কেউ বিষয়টি টের পায়নি বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ধানমন্ডি থানায় চুটির মামলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার বেলা ১টার দিকে জিগাতলা এলাকায় বিজিবির সীমান্ত সম্ভার শপিং কমপ্লেক্সের ‘ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্স’ নামের দোকানে এ লুট হয়। দোকানটি বিপণিবিতানের নতুন ভবনের নিচতলায়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জিসানুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চোর চক্রকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। শিগগিরই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। ইতিমধ্যে লুটর সঙ্গে জড়িত বলে কয়েকজনকে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পারলে রহস্য উদ্ঘাটন হবে।’
আজ দুপুরে সীমান্ত সম্ভারে গিয়ে দেখা যায়, ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্স খোলা। তবে শোকেসে তেমন স্বর্ণালংকার নেই। দোকানের মালিক কাজী আকাশ দোকানেই বসে ছিলেন। তিনজন কর্মচারীও তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
ঘটনার বিষয়ে কাজী আকাশ বলেন, তিন কর্মচারীর মধ্যে হাসিব শেখ নামে একজনের কাছে শোরুমের চাবি থাকে। তিনি অন্য দুই কর্মচারী আরিফুজ্জামান ও আবদুর রহিমকে নিয়ে প্রতিদিনের মতো শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে দোকান খোলেন। ১টার দিকে দোকানের বাঁ দিকের শাটার নামিয়ে এবং ডান পাশের শাটারে তালা দিয়ে তিনজন জুমার নামাজ পড়তে পাশের মসজিদে যান। বেলা দেড়টার দিকে আবদুর রহিম প্রথমে নামাজ থেকে ফিরে এসে দেখেন ডান পাশের শাটারের একটি তালা কাটা। এরপর রহিম ও মালিক আকাশের বন্ধু রায়হান ভেতরে ঢুকে দেখেন, শোরুমের অলংকারগুলো ছড়ানো-ছিটানো।
ব্যবসায়ী কাজী আকাশ বলেন, বাঁ দিকের শাটারটি ঠিক শোকেসের সামনে হওয়ায় সেটিতে তালা দিতে হয় না। কারণ সেটি খুলে দোকানে ঢোকা যায় না। তাই শুধু ডান পাশের শাটারে তালা দেন তাঁরা।
যেভাবে লুট হয়েছে
শপিং কমপ্লেক্স ও শোরুমটির সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, চোরদের দলে ৮-৯ জন ছিল। জুমার নামাজের আগেই তারা মার্কেটে প্রবেশ করে। আকাশের দোকানের কর্মচারীরা তালা দিয়ে নামাজে যাওয়ার সময় পাশের কয়েকটি দোকান খোলা ছিল। চোর চক্রের সদস্যরা ওই দোকানগুলোর কর্মচারীদের পণ্য দেখার কথা বলে ব্যস্ত রাখেন। দৃশ্যত এ কারণে তাঁরা কেউ অন্যদিকে খেয়াল করতে পারেননি। এই ফাঁকে চক্রের দুজন দোকানের ডান পাশের শাটারের সামনে একটি চাদর মেলে ধরেন। একজন চাদরের সামনে দাঁড়ান। অন্য একজন চাদরের আড়ালে থেকে তালা কাটেন। তালা কাটার পর তিনি ভেতরে ঢুকে লুট করে বের হয়ে যান।
যা যা খোয়া গেছে
মামলায় দাবি করা হয়েছে, দোকান থেকে মোট ১৫৯ ভরি স্বর্ণ খোয়া গেছে। এর মধ্যে স্বর্ণের চেইন ৬৪ পিস, আংটি ৬৬ পিস, ব্রেসলেট ১৬ পিস, লকেট ১৯ পিস, কানের দুল ৬৫ জোড়া, গলার হার ৭ পিস, স্বর্ণের নূপুর এক জোড়া এবং হিরার হার ৫ পিস। কাজী আকাশ বলেছেন, লুট হওয়া অলংকারের বাজারমূল্য আড়াই কোটি টাকা।
সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত বিপণিবিতানটিতে মাত্র আট মাস আগে অলংকারের দোকানটি চালু করেন কাজী আকাশ। নিউমার্কেট ও উত্তরায়ও তাঁর স্বর্ণালংকারের শোরুম রয়েছে। মার্কেট কর্তৃপক্ষ ও মালিক আকাশ উভয়েই বলেছেন, মাস চারেক আগে এই শোরুমে তাঁদের পারিবারিক দ্বন্দ্বের একটি ঘটনা ঘটেছিল। তবে সেটির সঙ্গে এই লুটের ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই বলেই দাবি করেছেন আকাশ।
মার্কেটের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আউটসোর্সিং করে বিজিবির কল্যাণ ট্রাস্ট। মার্কেটের সার্বিক নিরাপত্তার তত্ত্বাবধায়ক বিজিবির সাবেক সুবেদার এস এম হজরত আলী। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই আকস্মিকভাবে ঘটেছে। ঘটনার পর মার্কেটের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পুলিশের তদন্তে আমরা সহায়তা করছি।’
এদিকে গত ২৮ ডিসেম্বর আদাবরের এক বাসায় লুটের সঙ্গে জড়িত মাহিন ও রেহান নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে ৩২ ভরি স্বর্ণ, ১২ ভরি রুপা এবং নগদ ৮৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহীদুর রহমানকে লাঞ্ছনার নেপথ্যে রয়েছে ১৯ কোটি টাকার কাজের ভাগ-বাঁটোয়ারা। এই কাজের ভাগ চেয়ে সাড়া না পেয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত এক নেতার ছেলের নেতৃত্বে রোববার সন্ধ্যায় শহীদুর রহমানকে তাঁর কার্যালয়েই শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলে...
৮ ঘণ্টা আগেবগুড়ায় যুবলীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা মিলেমিশে যমুনা নদীর বিভিন্ন চর থেকে বালু তুলে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যুবলীগ নেতার নামে ইজারা নেওয়া বালুমহাল ছাড়াও বিভিন্ন চর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন হচ্ছে। যদিও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা উচ্চ আদালতে রিট করে...
৮ ঘণ্টা আগেবরগুনার বেতাগী উপজেলার ইটভাটাগুলোয় জ্বালানি হিসেবে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। এসব কাঠ সামাজিক বনায়ন থেকে সংগ্রহ করায় হুমকির মুখে পরিবেশ। জ্বালানি হিসেবে কাঠ পোড়ানো ইটভাটাগুলো বেশির ভাগ জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে থাকায় কালো ধোঁয়া ও দূষণে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে‘আগে যে সরকার ছিল, তারা অনেক আশা দিছে। আমার মেয়ে হত্যার বিচার করবে, আমাদের পরিবারের ভরণপোষণ দেবে, বাচ্চাকাচ্চা পড়াশোনা করলে চাকরি দেবে। কিন্তু আইজ পর্যন্ত সরকারের একজন লোকও আসে নাই, মেয়ে হত্যার বিচারটাও পাই নাই। এখন তো নতুন সরকার আসল। এখন যদি বিচারের ব্যবস্থাটা করে।
৯ ঘণ্টা আগে