রুদ্র রুহান, বরগুনা
বরগুনায় কার্যাদেশ দেওয়ার পাঁচ বছরেও ছয়টি মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। জমি নিয়ে জটিলতা, নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি, ঠিকাদারের গাফিলতি, তদারকি কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততাসহ নানা কারণে কাজ যথাসময়ে শেষ হয়নি।
স্থানীয় মুসল্লিরা বলছেন, মডেল মসজিদ নির্মাণ করার কথা বলে আগের পুরোনো মসজিদ ভবন ভেঙে দেওয়ায় এখন স্থানসংকটে নামাজ আদায় করতে পারছেন না তাঁরা। গণপূর্ত বিভাগ অবশ্য শিগগিরই জটিলতা নিরসন হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।
জেলা গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের শুরুর দিকে ৯০ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে বরগুনায় সাতটি মডেল মসজিদ নির্মাণের লক্ষ্যে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়। শর্ত অনুযায়ী ১৮ মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যথাসময়ে নির্মাণ শেষ না হওয়ায় তিন দফায় মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। তারপরও সম্পন্ন হয়নি ছয়টি মসজিদের কাজ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কোথাও আংশিক আবার কোথাও ভবন নির্মাণের কাজ শুরুই হয়নি। সদর উপজেলা পরিষদের সামনে পুরোনো মসজিদ ভেঙে নতুন মসজিদ নির্মাণের জায়গা বের করা হয়। কিন্তু সেখানে কিছু কাজ করার পর নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে তা বন্ধ করে দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে ওই জমি পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে একজন ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেন।
স্থানীয় কাউন্সিলর ফারুক সিকদারসহ একাধিক মুসল্লি জানান, বর্তমানে একটি অস্থায়ী টিনশেড ঘর তুলে নামাজ আদায় করা হচ্ছে।
কিন্তু জায়গাস্বল্পতার কারণে মসজিদের বাইরেও নামাজ পড়তে হয়। তাঁরা দ্রুত মডেল মসজিদ নির্মাণ শেষ করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঢালী অ্যান্ড গাজী কনস্ট্রাকশন জয়েন্ট ভেঞ্চারের কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা মনিরুজ্জামান জামাল বলেন, ‘আমরা পাইলের কাজ শেষ করার পর সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা দাবি করে একটি মামলা হওয়ায় কাজ বন্ধ রেখেছি। পরে দীর্ঘসূত্রতায় নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কাজ করা অসম্ভব হয়ে যায়।’
এদিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সংলগ্ন মডেল মসজিদটির কাজ কিছুটা অগ্রসর হয়ে বন্ধ রয়েছে। এ জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডালি অ্যান্ড গাজী কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে গণপূর্ত বিভাগ।
একই অবস্থা পাথরঘাটা ও তালতলী উপজেলার দুটি মসজিদের। পুরোনো মসজিদ ভেঙে ফেলার পর নতুন ভবনের কাজ কিছুটা করার পরই বন্ধ করে দেন ঠিকাদার। অন্যদিকে জমিসংক্রান্ত জটিলতার কারণে বামনা ও আমতলী উপজেলার দুটি মসজিদের কাজ এখনো শুরু হয়নি।
এ বিষয়ে বরগুনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত বিশ্বাস জানান, জমিসংক্রান্ত মামলা, অর্থসংকট, পুরোনো স্থাপনা অপসারণ, নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি ও ঠিকাদারের অপারগতার কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করা যায়নি। তিনটি মসজিদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে নতুন দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। অন্য একটি (আমতলী) মসজিদের জমিসংক্রান্ত জটিলতা এখনো নিরসন হয়নি।
যোগাযোগ করা হলে ডিসি রফিকুল ইসলাম বলেন, জমিসংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে মসজিদগুলোর কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তবে জটিলতা ইতিমধ্যে সমাধান হয়েছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ বাস্তবায়ন হবে।
বরগুনায় কার্যাদেশ দেওয়ার পাঁচ বছরেও ছয়টি মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। জমি নিয়ে জটিলতা, নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি, ঠিকাদারের গাফিলতি, তদারকি কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততাসহ নানা কারণে কাজ যথাসময়ে শেষ হয়নি।
স্থানীয় মুসল্লিরা বলছেন, মডেল মসজিদ নির্মাণ করার কথা বলে আগের পুরোনো মসজিদ ভবন ভেঙে দেওয়ায় এখন স্থানসংকটে নামাজ আদায় করতে পারছেন না তাঁরা। গণপূর্ত বিভাগ অবশ্য শিগগিরই জটিলতা নিরসন হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।
জেলা গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের শুরুর দিকে ৯০ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে বরগুনায় সাতটি মডেল মসজিদ নির্মাণের লক্ষ্যে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়। শর্ত অনুযায়ী ১৮ মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যথাসময়ে নির্মাণ শেষ না হওয়ায় তিন দফায় মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। তারপরও সম্পন্ন হয়নি ছয়টি মসজিদের কাজ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কোথাও আংশিক আবার কোথাও ভবন নির্মাণের কাজ শুরুই হয়নি। সদর উপজেলা পরিষদের সামনে পুরোনো মসজিদ ভেঙে নতুন মসজিদ নির্মাণের জায়গা বের করা হয়। কিন্তু সেখানে কিছু কাজ করার পর নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে তা বন্ধ করে দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে ওই জমি পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে একজন ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেন।
স্থানীয় কাউন্সিলর ফারুক সিকদারসহ একাধিক মুসল্লি জানান, বর্তমানে একটি অস্থায়ী টিনশেড ঘর তুলে নামাজ আদায় করা হচ্ছে।
কিন্তু জায়গাস্বল্পতার কারণে মসজিদের বাইরেও নামাজ পড়তে হয়। তাঁরা দ্রুত মডেল মসজিদ নির্মাণ শেষ করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঢালী অ্যান্ড গাজী কনস্ট্রাকশন জয়েন্ট ভেঞ্চারের কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা মনিরুজ্জামান জামাল বলেন, ‘আমরা পাইলের কাজ শেষ করার পর সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা দাবি করে একটি মামলা হওয়ায় কাজ বন্ধ রেখেছি। পরে দীর্ঘসূত্রতায় নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কাজ করা অসম্ভব হয়ে যায়।’
এদিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সংলগ্ন মডেল মসজিদটির কাজ কিছুটা অগ্রসর হয়ে বন্ধ রয়েছে। এ জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডালি অ্যান্ড গাজী কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে গণপূর্ত বিভাগ।
একই অবস্থা পাথরঘাটা ও তালতলী উপজেলার দুটি মসজিদের। পুরোনো মসজিদ ভেঙে ফেলার পর নতুন ভবনের কাজ কিছুটা করার পরই বন্ধ করে দেন ঠিকাদার। অন্যদিকে জমিসংক্রান্ত জটিলতার কারণে বামনা ও আমতলী উপজেলার দুটি মসজিদের কাজ এখনো শুরু হয়নি।
এ বিষয়ে বরগুনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত বিশ্বাস জানান, জমিসংক্রান্ত মামলা, অর্থসংকট, পুরোনো স্থাপনা অপসারণ, নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি ও ঠিকাদারের অপারগতার কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করা যায়নি। তিনটি মসজিদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে নতুন দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। অন্য একটি (আমতলী) মসজিদের জমিসংক্রান্ত জটিলতা এখনো নিরসন হয়নি।
যোগাযোগ করা হলে ডিসি রফিকুল ইসলাম বলেন, জমিসংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে মসজিদগুলোর কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তবে জটিলতা ইতিমধ্যে সমাধান হয়েছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ বাস্তবায়ন হবে।
বিআরটিসির বাস দিয়ে চালু করা বিশেষায়িত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) লেনে অনুমতি না নিয়েই চলছে বেসরকারি কোম্পানির কিছু বাস। ঢুকে পড়ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। উল্টো পথে চলছে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে বিআরটিসির মাত্র ১০টি বাস চলাচল করায় সোয়া চার হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প থেকে...
২ দিন আগেগাজীপুর মহানগরের বোর্ডবাজার এলাকার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা পিকনিকে যাচ্ছিলেন শ্রীপুরের মাটির মায়া ইকো রিসোর্টে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে বাসগুলো গ্রামের সরু সড়কে ঢোকার পর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায় বিআরটিসির একটি দোতলা বাস...
২৪ নভেম্বর ২০২৪ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় সন্দ্বীপের ব্লক বেড়িবাঁধসহ একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। এ জন্য টেন্ডারও হয়েছে। প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শুরু করছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তাগাদায়ও কোনো কাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন...
২০ নভেম্বর ২০২৪দেশের পরিবহন খাতের অন্যতম নিয়ন্ত্রণকারী ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাইফুল আলমের নেতৃত্বাধীন এ কমিটিকে নিবন্ধন দেয়নি শ্রম অধিদপ্তর। তবে এটি কার্যক্রম চালাচ্ছে। কমিটির নেতারা অংশ নিচ্ছেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের...
২০ নভেম্বর ২০২৪