ছোট্ট মেয়েটি এক পা, দুই পা করে হাঁটা শিখল। পুতুলের মতো ঘরময় ঘুরে বেড়ায় সে। আরামদায়ক নিমা ছাড়াও কুঁচিওয়ালা বড় ঘেরের জামা বানিয়ে দেন মা। তারপর? একটু বড় হওয়ার পর রাজকুমারীর মতো গাউন পরে আয়নার সামনে নিজেকে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে সে। কিন্তু রাজকুমারীর এই গাউন বা পোশাক কি প্রকৃতিবান্ধব তন্তুতে তৈরি?
সিনথেটিক কাপড় শিশুর নাজুক ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। পলিয়েস্টার, রেয়ন ও নাইলনের মতো কাপড়ে থাকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, কার্বন ডাই-সালফাইডের মতো উপাদান। এসব উপাদান শিশুর ত্বকের সংস্পর্শে এলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু মেয়েশিশুদের ফেন্সি পোশাকগুলো অধিকাংশই এসব কাপড়ে তৈরি। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন বলেন, ‘শিশুদের জন্য সিনথেটিকের বদলে প্রাকৃতিক তন্তুর তৈরি পোশাক বেছে নেওয়া ভালো।’
প্রাকৃতিক তন্তুতে তৈরি
পোশাক ভালো কেন
প্রাকৃতিক তন্তু, যেমন তুলা, রেশম, পশম ইত্যাদি দিয়ে যেসব পোশাক তৈরি হয়, সেগুলো শিশুর পরিধেয় হিসেবে সবচেয়ে ভালো। পরিবেশবান্ধব প্রতিষ্ঠানগুলো এসব পোশাকের বোতাম তৈরিতে ব্যবহার করে কাঠ ও নারকেলের মালা। এ ধরনের কাপড় তৈরিতে সিনথেটিক বা রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার খুবই অল্প থাকে। অন্যদিকে পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়ায় রাসায়নিকভাবে তৈরি তন্তু দিয়ে সিনথেটিক কাপড় বানানো হয়। যেখানে প্রচুর দ্রাবক ও রাসায়নিক পদার্থের প্রয়োগ রয়েছে।
সিনথেটিক কাপড়ের মধ্যে বেশি মাত্রায় ক্ষতিকারক কাপড় হচ্ছে পলিয়েস্টার। সিনথেটিক পলিমার থেকে তৈরি হয় এটি। সিনথেটিক পলিমার আবার তৈরি হয় ডিহাইড্রিক অ্যালকোহল ও টারফেলিক অ্যাসিড থেকে। অন্যদিকে পেট্রোলিয়াম থেকে তৈরি নাইলন ত্বকের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে। এ ছাড়া সিনথেটিক কাপড়ের স্থিতিস্থাপকতার জন্য টেফলনের মতো রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, যা ত্বকের জন্য সুখকর নয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ত্বকে যখন প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়, তার ৬০ ভাগই ত্বক শুষে নেয় ও রক্তে মিশে যায়। তেমনি কাপড়ে যদি রাসায়নিক উপাদান থাকে, তাহলে তার কিছুটা তো ত্বক শুষে নেয়। ফলে ত্বকে চুলকানি, ফুসকুড়ি ও অ্যালার্জির সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন বলেন, ‘যা থেকে ত্বকে অ্যালার্জি হয়, তাকে বলা হয় অ্যালার্জেন। এই অ্যালার্জেন কোনো পোশাকের কাপড়ও হতে পারে। যখন কোনো কাপড় থেকে ত্বকে অ্যালার্জি হয়, তখন তাকে ফেব্রিক অ্যালার্জি বা টেক্সাইল অ্যালার্জি বলা হয়। যেসব কাপড় থেকে অ্যালার্জি হয়, সেগুলোর মধ্যে পলিয়েস্টার অন্যতম। অনেক সময় উল ও প্রাণীর লোম থেকে তৈরি পোশাক থেকেও ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে। পোশাক থেকে ত্বকে অ্যালার্জি হলে, চুলকানি, চোখ দিয়ে পানি পড়া, ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ফলে এ ধরনের কাপড় এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।’
কাপড়ের সঙ্গে সঙ্গে কাপড় ধোয়ার ডিটারজেন্ট ও ফেব্রিকস সফটনারের বিষয়টিও চলে আসে। অনেক সময় কড়া ডিটারজেন্ট ও ফেব্রিকস সফটনারের সুগন্ধ থেকেও শিশুর অ্যালার্জি হতে পারে। যোগ করেন ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন।
কেনার আগে কাপড়ে হাত বুলিয়ে দেখুন তা নরম কি না। খসখসে হলে শিশুর ত্বকে আঁচড় লাগতে পারে। কাপড়ে লেগে থাকা ডাস্টের কারণে শিশু কাশি, হাঁচি ও অ্যাজমায় আক্রান্ত হতে পারে।
পোশাক নির্বাচন
শিশুর জন্য সুতি কাপড় বাছাই করুন। সুতি ত্বকের জন্য ভালো। ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন জানান, শিশুর জন্য পোশাক নির্বাচনের সময় সবার আগে আরামকে প্রাধান্য দিতে হবে। পোশাকটি স্টাইলিশ হওয়ার চেয়ে শিশুর স্বাচ্ছন্দ্যকে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে। সেদিক থেকে সুতি কাপড়ই ভালো। এ ছাড়া ডেনিম কাপড়ও শিশুর পরার জন্য উপযোগী। শিশুকে ফেন্সি কাপড় যতটা কম পরানো যায়, ততই ভালো। এসব পোশাকের স্ট্রাপ ও বাটন থেকেও শিশুর ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে।
কেনার সময় খেয়াল রাখুন
শিশুর জন্য পোশাক কেনার সময় কাপড়ে হাত বুলিয়ে দেখুন তা নরম কি না। খসখসে হলে শিশুর ত্বকে আঁচড় লাগতে পারে। ভালো মানের কাপড় কিনুন। অনেক সময় কাপড়ে সূক্ষ্ম সুতা লেগে থাকে। এগুলোকে ডাস্ট বলে। এগুলোর কারণে শিশু কাশি, হাঁচি ও অ্যাজমায় আক্রান্ত হতে পারে।
ছোট্ট মেয়েটি এক পা, দুই পা করে হাঁটা শিখল। পুতুলের মতো ঘরময় ঘুরে বেড়ায় সে। আরামদায়ক নিমা ছাড়াও কুঁচিওয়ালা বড় ঘেরের জামা বানিয়ে দেন মা। তারপর? একটু বড় হওয়ার পর রাজকুমারীর মতো গাউন পরে আয়নার সামনে নিজেকে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে সে। কিন্তু রাজকুমারীর এই গাউন বা পোশাক কি প্রকৃতিবান্ধব তন্তুতে তৈরি?
সিনথেটিক কাপড় শিশুর নাজুক ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। পলিয়েস্টার, রেয়ন ও নাইলনের মতো কাপড়ে থাকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, কার্বন ডাই-সালফাইডের মতো উপাদান। এসব উপাদান শিশুর ত্বকের সংস্পর্শে এলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু মেয়েশিশুদের ফেন্সি পোশাকগুলো অধিকাংশই এসব কাপড়ে তৈরি। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন বলেন, ‘শিশুদের জন্য সিনথেটিকের বদলে প্রাকৃতিক তন্তুর তৈরি পোশাক বেছে নেওয়া ভালো।’
প্রাকৃতিক তন্তুতে তৈরি
পোশাক ভালো কেন
প্রাকৃতিক তন্তু, যেমন তুলা, রেশম, পশম ইত্যাদি দিয়ে যেসব পোশাক তৈরি হয়, সেগুলো শিশুর পরিধেয় হিসেবে সবচেয়ে ভালো। পরিবেশবান্ধব প্রতিষ্ঠানগুলো এসব পোশাকের বোতাম তৈরিতে ব্যবহার করে কাঠ ও নারকেলের মালা। এ ধরনের কাপড় তৈরিতে সিনথেটিক বা রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার খুবই অল্প থাকে। অন্যদিকে পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়ায় রাসায়নিকভাবে তৈরি তন্তু দিয়ে সিনথেটিক কাপড় বানানো হয়। যেখানে প্রচুর দ্রাবক ও রাসায়নিক পদার্থের প্রয়োগ রয়েছে।
সিনথেটিক কাপড়ের মধ্যে বেশি মাত্রায় ক্ষতিকারক কাপড় হচ্ছে পলিয়েস্টার। সিনথেটিক পলিমার থেকে তৈরি হয় এটি। সিনথেটিক পলিমার আবার তৈরি হয় ডিহাইড্রিক অ্যালকোহল ও টারফেলিক অ্যাসিড থেকে। অন্যদিকে পেট্রোলিয়াম থেকে তৈরি নাইলন ত্বকের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে। এ ছাড়া সিনথেটিক কাপড়ের স্থিতিস্থাপকতার জন্য টেফলনের মতো রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, যা ত্বকের জন্য সুখকর নয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ত্বকে যখন প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়, তার ৬০ ভাগই ত্বক শুষে নেয় ও রক্তে মিশে যায়। তেমনি কাপড়ে যদি রাসায়নিক উপাদান থাকে, তাহলে তার কিছুটা তো ত্বক শুষে নেয়। ফলে ত্বকে চুলকানি, ফুসকুড়ি ও অ্যালার্জির সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন বলেন, ‘যা থেকে ত্বকে অ্যালার্জি হয়, তাকে বলা হয় অ্যালার্জেন। এই অ্যালার্জেন কোনো পোশাকের কাপড়ও হতে পারে। যখন কোনো কাপড় থেকে ত্বকে অ্যালার্জি হয়, তখন তাকে ফেব্রিক অ্যালার্জি বা টেক্সাইল অ্যালার্জি বলা হয়। যেসব কাপড় থেকে অ্যালার্জি হয়, সেগুলোর মধ্যে পলিয়েস্টার অন্যতম। অনেক সময় উল ও প্রাণীর লোম থেকে তৈরি পোশাক থেকেও ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে। পোশাক থেকে ত্বকে অ্যালার্জি হলে, চুলকানি, চোখ দিয়ে পানি পড়া, ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ফলে এ ধরনের কাপড় এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।’
কাপড়ের সঙ্গে সঙ্গে কাপড় ধোয়ার ডিটারজেন্ট ও ফেব্রিকস সফটনারের বিষয়টিও চলে আসে। অনেক সময় কড়া ডিটারজেন্ট ও ফেব্রিকস সফটনারের সুগন্ধ থেকেও শিশুর অ্যালার্জি হতে পারে। যোগ করেন ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন।
কেনার আগে কাপড়ে হাত বুলিয়ে দেখুন তা নরম কি না। খসখসে হলে শিশুর ত্বকে আঁচড় লাগতে পারে। কাপড়ে লেগে থাকা ডাস্টের কারণে শিশু কাশি, হাঁচি ও অ্যাজমায় আক্রান্ত হতে পারে।
পোশাক নির্বাচন
শিশুর জন্য সুতি কাপড় বাছাই করুন। সুতি ত্বকের জন্য ভালো। ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন জানান, শিশুর জন্য পোশাক নির্বাচনের সময় সবার আগে আরামকে প্রাধান্য দিতে হবে। পোশাকটি স্টাইলিশ হওয়ার চেয়ে শিশুর স্বাচ্ছন্দ্যকে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে। সেদিক থেকে সুতি কাপড়ই ভালো। এ ছাড়া ডেনিম কাপড়ও শিশুর পরার জন্য উপযোগী। শিশুকে ফেন্সি কাপড় যতটা কম পরানো যায়, ততই ভালো। এসব পোশাকের স্ট্রাপ ও বাটন থেকেও শিশুর ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে।
কেনার সময় খেয়াল রাখুন
শিশুর জন্য পোশাক কেনার সময় কাপড়ে হাত বুলিয়ে দেখুন তা নরম কি না। খসখসে হলে শিশুর ত্বকে আঁচড় লাগতে পারে। ভালো মানের কাপড় কিনুন। অনেক সময় কাপড়ে সূক্ষ্ম সুতা লেগে থাকে। এগুলোকে ডাস্ট বলে। এগুলোর কারণে শিশু কাশি, হাঁচি ও অ্যাজমায় আক্রান্ত হতে পারে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি বেড়েই চলছে। এ কারণে চালক ও যাত্রীদের কাছে আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে এই সড়ক। ডাকাতির শিকার বেশি হচ্ছেন প্রবাসফেরত লোকজন। ডাকাতেরা অস্ত্র ঠেকিয়ে লুট করে নিচ্ছে সর্বস্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়েও ঘটছে ডাকাতির ঘটনা।
০২ মার্চ ২০২৫বিআরটিসির বাস দিয়ে চালু করা বিশেষায়িত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) লেনে অনুমতি না নিয়েই চলছে বেসরকারি কোম্পানির কিছু বাস। ঢুকে পড়ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। উল্টো পথে চলছে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে বিআরটিসির মাত্র ১০টি বাস চলাচল করায় সোয়া চার হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প থেকে...
১৬ জানুয়ারি ২০২৫গাজীপুর মহানগরের বোর্ডবাজার এলাকার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা পিকনিকে যাচ্ছিলেন শ্রীপুরের মাটির মায়া ইকো রিসোর্টে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে বাসগুলো গ্রামের সরু সড়কে ঢোকার পর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায় বিআরটিসির একটি দোতলা বাস...
২৪ নভেম্বর ২০২৪ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় সন্দ্বীপের ব্লক বেড়িবাঁধসহ একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। এ জন্য টেন্ডারও হয়েছে। প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শুরু করছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তাগাদায়ও কোনো কাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন...
২০ নভেম্বর ২০২৪