ইয়াহ্ইয়া মারুফ, সিলেট
সিলেট বিভাগে জনবল-সংকটে রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কমসংখ্যক পুলিশ সদস্যকে দিয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিটকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট বিভাগে রয়েছে ছোট-বড় অর্ধশতাধিক পর্যটনস্পট। এসব পর্যটনস্পটকে ছয়টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় তিনটি, মৌলভীবাজারে দুটি ও সুনামগঞ্জ জেলায় প্রস্তাবিত (কার্যক্রম শুরু হয়নি) একটি জোন রয়েছে। হবিগঞ্জে এখন পর্যন্ত ট্যুরিস্ট পুলিশের কোনো কার্যক্রম নেই। ছয়টি জোনে মোট ১৫০টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের মোট ১০০ জন সদস্য। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ১৯ জন জনবলের একজনও নেই। এ জন্য এই জোনে এখনো কোনো কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিট। সিলেট জেলার তিনটি জোনে ৭৩টি জায়গায় জনবল রয়েছে ৫২ জন। মৌলভীবাজারে ৪৬ জনের জায়গায় ৩৭ জন জনবল আর রিজওনাল অফিসে ১২ জনের জায়গায় ১১ জন নিয়ে চলছে কার্যক্রম।
হিসাব অনুযায়ী প্রতিটি স্পটের জন্য গড়ে দু-তিনজন করে ট্যুরিস্ট পুলিশও নেই। এ কারণে পর্যটকদের যথাযথ নিরাপত্তা ও সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মানুষ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় নিজের নিরাপত্তাকে। সাম্প্রতিককালে সিলেটের পর্যটনস্পটগুলোতে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো ঘটেছে এরপর কি নিরাপত্তা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা পর্যটকদের আশ্বস্ত করেছেন?
ট্যুরিস্ট পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার (এসপি) আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, ‘সিলেট রিজিয়নের জন্য আমাদের মাত্র ১০০ জনবল। এই স্বল্প লোকবল নিয়ে পর্যটনস্পটগুলোতে নিরাপত্তা দিতে অনেকটা বেগ পেতে হচ্ছে। সিলেট রিজিয়নে গুরুত্বপূর্ণ অন্তত ২০টি স্পট রয়েছে; কিন্তু এসব স্পটে একসঙ্গে পাঁচজনের বেশি ট্যুরিস্ট পুলিশ দেওয়া যায় না। আর বিভিন্ন ছুটি বা উৎসবের সময় একেকটি স্পটেই লাখের কাছাকাছি পর্যটক আসেন। একটি স্পটে সর্বোচ্চ মাত্র পাঁচজন পুলিশ সদস্য লাখের কাছাকাছি পর্যটকের নিরাপত্তা কীভাবে দেবেন?’
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর যাত্রা শুরু হয় ট্যুরিস্ট পুলিশের। ট্যুরিস্টদের নিরাপত্তার পাশাপাশি হোটেলের নিরাপত্তা এবং জনগণকে সচেতন করতে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে সংস্থাটি।
সিলেট বিভাগে জনবল-সংকটে রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কমসংখ্যক পুলিশ সদস্যকে দিয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিটকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট বিভাগে রয়েছে ছোট-বড় অর্ধশতাধিক পর্যটনস্পট। এসব পর্যটনস্পটকে ছয়টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় তিনটি, মৌলভীবাজারে দুটি ও সুনামগঞ্জ জেলায় প্রস্তাবিত (কার্যক্রম শুরু হয়নি) একটি জোন রয়েছে। হবিগঞ্জে এখন পর্যন্ত ট্যুরিস্ট পুলিশের কোনো কার্যক্রম নেই। ছয়টি জোনে মোট ১৫০টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের মোট ১০০ জন সদস্য। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ১৯ জন জনবলের একজনও নেই। এ জন্য এই জোনে এখনো কোনো কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিট। সিলেট জেলার তিনটি জোনে ৭৩টি জায়গায় জনবল রয়েছে ৫২ জন। মৌলভীবাজারে ৪৬ জনের জায়গায় ৩৭ জন জনবল আর রিজওনাল অফিসে ১২ জনের জায়গায় ১১ জন নিয়ে চলছে কার্যক্রম।
হিসাব অনুযায়ী প্রতিটি স্পটের জন্য গড়ে দু-তিনজন করে ট্যুরিস্ট পুলিশও নেই। এ কারণে পর্যটকদের যথাযথ নিরাপত্তা ও সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মানুষ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় নিজের নিরাপত্তাকে। সাম্প্রতিককালে সিলেটের পর্যটনস্পটগুলোতে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো ঘটেছে এরপর কি নিরাপত্তা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা পর্যটকদের আশ্বস্ত করেছেন?
ট্যুরিস্ট পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার (এসপি) আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, ‘সিলেট রিজিয়নের জন্য আমাদের মাত্র ১০০ জনবল। এই স্বল্প লোকবল নিয়ে পর্যটনস্পটগুলোতে নিরাপত্তা দিতে অনেকটা বেগ পেতে হচ্ছে। সিলেট রিজিয়নে গুরুত্বপূর্ণ অন্তত ২০টি স্পট রয়েছে; কিন্তু এসব স্পটে একসঙ্গে পাঁচজনের বেশি ট্যুরিস্ট পুলিশ দেওয়া যায় না। আর বিভিন্ন ছুটি বা উৎসবের সময় একেকটি স্পটেই লাখের কাছাকাছি পর্যটক আসেন। একটি স্পটে সর্বোচ্চ মাত্র পাঁচজন পুলিশ সদস্য লাখের কাছাকাছি পর্যটকের নিরাপত্তা কীভাবে দেবেন?’
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর যাত্রা শুরু হয় ট্যুরিস্ট পুলিশের। ট্যুরিস্টদের নিরাপত্তার পাশাপাশি হোটেলের নিরাপত্তা এবং জনগণকে সচেতন করতে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে সংস্থাটি।
বিআরটিসির বাস দিয়ে চালু করা বিশেষায়িত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) লেনে অনুমতি না নিয়েই চলছে বেসরকারি কোম্পানির কিছু বাস। ঢুকে পড়ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। উল্টো পথে চলছে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে বিআরটিসির মাত্র ১০টি বাস চলাচল করায় সোয়া চার হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প থেকে...
৩ দিন আগেগাজীপুর মহানগরের বোর্ডবাজার এলাকার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা পিকনিকে যাচ্ছিলেন শ্রীপুরের মাটির মায়া ইকো রিসোর্টে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে বাসগুলো গ্রামের সরু সড়কে ঢোকার পর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায় বিআরটিসির একটি দোতলা বাস...
২৪ নভেম্বর ২০২৪ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় সন্দ্বীপের ব্লক বেড়িবাঁধসহ একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। এ জন্য টেন্ডারও হয়েছে। প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শুরু করছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তাগাদায়ও কোনো কাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন...
২০ নভেম্বর ২০২৪দেশের পরিবহন খাতের অন্যতম নিয়ন্ত্রণকারী ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাইফুল আলমের নেতৃত্বাধীন এ কমিটিকে নিবন্ধন দেয়নি শ্রম অধিদপ্তর। তবে এটি কার্যক্রম চালাচ্ছে। কমিটির নেতারা অংশ নিচ্ছেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের...
২০ নভেম্বর ২০২৪